পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় কয়েকদিন ধরে বেড়েছে লোডশেডিং। একদিকে ভ্যাপসা গরম ও অন্যদিকে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় ভোগান্তির শেষ নেই। দিনে-রাতে কয়েকবার করে বিদ্যুতের আসা-যাওয়ায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। এদিকে হঠাৎ করে ঘন ঘন লোডশেডিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা।এ অবস্থায় চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থী ও আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়ালেখায় বিঘ্নসহ শিশু, বয়স্ক ও রোগীদেরও দুর্ভোগ বেড়েছে। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। অন্যদিকে কর্মজীবী মানুষের দৈনন্দিন কাজে চরম ব্যাঘাত ঘটছে। চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ পাওয়ায় এমন ভোগান্তি বলে জানা গেছে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে বায়ুর আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে শিশু-শিক্ষার্থীসহ সব বয়সী মানুষ। সেই সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়েছে। এরই মধ্যেই পাল্লা দিয়ে শুরু হয়েছে ঘন ঘন লোডশেডিং। গরমে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকার কারণে দৈনন্দিন জীবনযাপনে বেড়েছে ভোগান্তি। চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ১৪৭৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এদিকে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটছে পরীক্ষার্থীদের। বিশেষ করে রাতের বেলা লোডশেডিংয়ে পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে।এসএসসি পরীক্ষার্থীর অভিভাবকরা জানান, রাত পোহালেই ছেলে-মেয়েদের পরীক্ষা। সন্ধ্যা ও রাতের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি বাধাগ্রস্ত করছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত লোডশেডিং সমস্যার সমাধান করে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।ভাঙ্গুড়া উপজেলার চা দোকানিরা জানান, আগে গ্যাস বা মাটির চুলায় চা তৈরি হলেও এখন বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। কিন্তু ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যবসায় ধস নেমেছে। চাহিদার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় প্রতিদিন ক্রেতা হারাতে হচ্ছে তাদের।এ ব্যাপারে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল্লাহ-আল-আমিন চৌধুরী বলেন, একদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে। অন্যদিকে আমরা চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছি না। আমরা হাসপাতাল ও জরুরি সেবাকেন্দ্রগুলোতে লোডশেডিং কম রাখার চেষ্টা করছি। গত কয়েকদিন আগে লোডশেডিং দিতে হয়েছে। তবে গত শনিবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় লোডশেডিং কিছুটা কমেছে।ইখা
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
