নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও এক ডজন মামলার আসামি সাহেব আলীর ঘনিষ্ঠ ৬ সহযোগীকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এসময় তাদের কাছ থেকে আলামত হিসেবে ১৩টি স্মার্টফোন, ৭টি বাটনফোন, ১টি খেলনা পিস্তল, ১টি মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স, ১টি ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ৪টি সাবল উদ্ধার করা হয়।সোমবার (৬ অক্টোবর) গাছা থানাধীন চান্দুরা বড়বাড়ীতে র্যাব-১ ও র্যাব-১১ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১১ এর কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার মো. নাঈম উল হক।গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াপদা কলোনী এলাকার ছেলে সজীব (১৯), স্ত্রী কল্পনা বেগম (২৯), আব্দুল মজিদের ছেলে আমিনুল ইসলাম (৩৪), ধনু মিয়ার ছেলে শামীম মিয়া (২৬), হাউজিং ওয়াপদা কলোনী এলাকার মৃত বাচ্চু শেখের ছেলে হাফিজ শেখ (২৩) এবং মৃত হাশেমের ছেলে আকবর (২০)।বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-১১ জানায়, সাহেব আলীর বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, অস্ত্রসহ অন্তত এক ডজন মামলা রয়েছে। শীর্ষ এই সন্ত্রাসী ওয়াপদা কলোনি বউবাজার এলাকার মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।র্যাব আরও জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক সাহেব আলীকে গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব-১১ বরাবর অধিযাচন পত্র প্রেরণ করে। এরই প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) র্যাব-১১ এর ৪ জন এফএস সদস্য নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারী ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসী সাহেব আলীর অবস্থান সনাক্ত পূর্বক তাকে গ্রেপ্তারের জন্য সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াপদা কলোনীর বউ বাজারে পৌঁছালে আসামি সাহেব আলী র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য তার লোকজনকে দ্রুত জড়ো করে সকলেই দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে র্যাবের উপর হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিতভাবে আক্রমণ করে। আসামিরা র্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে প্রথমে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে র্যাবের সদস্যদের হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথাড়ি মারপিট করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। পরবর্তীতে র্যাবের টহল টিমের সদস্যরা গুরুতর আহত র্যাবের সদস্যদের উদ্ধার করে খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করেন।গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে র্যাব-১১।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
