তীব্র গরমে হাঁসফাঁস দশা? এসি চালিয়েও ঘর ঠান্ডা হচ্ছে না? জানুন এমন ৮টি সহজ ও কার্যকর ঘরোয়া উপায়, যা কোনো কৃত্রিম যন্ত্র ছাড়াই আপনার অন্দরমহলকে রাখবে শীতল ও আরামদায়ক। বাইরের লু বা গরম হাওয়া আটকাতে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঘরের জানলা-দরজা বন্ধ রাখুন।১। বাইরের লু বা গরম হাওয়া আটকাতে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঘরের জানলা-দরজা বন্ধ রাখুন। এতে বাইরের উত্তাপ ভেতরে ঢুকতে পারে না এবং ঘর দীর্ঘক্ষণ শীতল থাকে।২। সূর্যের চড়া রোদ আটকাতে জানলায় গাঢ় রঙের বা ব্ল্যাকআউট পর্দা ব্যবহার করুন। খসখস বা পাটের তৈরি পর্দা তাপ শোষণে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। ৩। সূর্যাস্তের পর বাইরের তাপমাত্রা কমলে সব জানলা খুলে দিন যাতে গুমোট হাওয়া বেরিয়ে যায়। এই ক্রস ভেন্টিলেশনের ফলে রাতের বেলা আপনার অন্দরমহল দ্রুত ঠান্ডা হয়ে গিয়েছে দেখা যাবে।৪। অ্যালোভেরা বা স্নেক প্ল্যান্টের মতো গাছ ঘরের বাতাসকে প্রাকৃতিকভাবেই পরিশুদ্ধ ও শীতল রাখে। এই গাছগুলো পরিবেশের অতিরিক্ত তাপ শুষে নিয়ে ঘরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৫। বাড়ির ছাদের ওপর সাদা রিফ্লেক্টিভ পেইন্ট বা চুনকাম করলে তা সূর্যের রশ্মিকে প্রতিফলিত করে দেয়। এর ফলে ছাদ কম উত্তপ্ত হয় এবং নীচের ঘরের তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি কমে গিয়েছে। ৬। সাধারণ বাল্ব প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে ঘরকে গরম করে তোলে, তাই আজই সেগুলো বদলে ফেলুন। আধুনিক এলইডি লাইট একদিকে যেমন ঘরকে ঠান্ডা রাখে, তেমনই এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ও হয় অনেক। ৭। চড়া রোদে মেঝের তাপমাত্রা কমাতে দিনে অন্তত দু’বার শীতল জল দিয়ে ঘর মুছে নিন। ঠান্ডা জল দিয়ে মেঝে মুছলে ঘরের গুমোট ভাব নিমেষেই কেটে গিয়ে আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়। ৮। দিনের বেলা উনুন বা ওভেনের ব্যবহার যতটা সম্ভব কমিয়ে দিন এবং একজস্ট ফ্যান চালু রাখুন। রান্নাঘরের গরম বাতাস দ্রুত বের করে দিলে আপনার সারা ঘর ঠান্ডা রাখা অনেক সহজ হবে। এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
