আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সমগ্র সুনামগঞ্জ জেলা ও সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে নিরাপত্তার এক অভেদ্য দুর্গ গড়ে তুলেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ২৮ ব্যাটালিয়ন। বর্তমান অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সীমান্ত অপরাধ দমনে দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।সরেজমিনে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে চোরাকারবারিদের তৎপরতা রুখতে এবং সীমান্তবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি বিওপি (BOP) ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে টহল ব্যবস্থা কয়েক গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।বিজিবি সূত্র জানায়, অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদিরের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোতে দিনরাত কঠোর নজরদারি চলছে। গত কয়েক মাসে ২৮ বিজিবির বিশেষ তৎপরতায় কোটি কোটি টাকার ভারতীয় চিনি, বিপুল পরিমাণ মাদক ও কসমেটিকসসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্যের চালান জব্দ করা হয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি এখন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে, যা স্থানীয় চোরাকারবারিদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা।সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বর্তমান অধিনায়ক যোগদানের পর থেকে মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আমূল পরিবর্তন এসেছে। বিজিবির নিয়মিত ঝটিকা অভিযান এবং আধুনিক নজরদারি বৃদ্ধির ফলে সীমান্ত অপরাধ এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। দুর্গম পাহাড় ও নদীপথে বিজিবি সদস্যরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করছেন, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ঈদের আনন্দ উদযাপন করতে পারে। অধিনায়ক নিজে বিভিন্ন বিওপি পরিদর্শন করে সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন, যা বাহিনীর মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে।সুনামগঞ্জ ২৮ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির (পিএসসি) জানিয়েছেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সীমান্ত দিয়ে কোনো ধরনের অবৈধ পণ্য বা অনুপ্রবেশ রোধে আমরা সর্বদা সজাগ রয়েছি। ঈদ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।”জেলার সচেতন মহলের বিশ্বাস, দক্ষ ও সাহসী নেতৃত্বের কারণে সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকা ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ও সুরক্ষিত হয়ে উঠবে।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
