ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ যুদ্ধের তৃতীয় সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন কিছু সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হচ্ছেন, যা তার প্রেসিডেন্সির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দিতে পারে। মার্কিন কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে তিনি যদি এমন একটি যুদ্ধের মোকাবিলা করেন যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে, তবে সেই উদ্বেগ জনসমক্ষে খুব একটা প্রকাশ পাচ্ছে না।সোমবার হোয়াইট হাউসে এক ঘণ্টারও বেশি সময়ের বক্তব্যে তিনি যুদ্ধ প্রচেষ্টার অবস্থা নিয়ে নিজের চিন্তাভাবনা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি কেনেডি সেন্টারের সংস্কার, হোয়াইট হাউস বলরুমের নির্মাণ পরিকল্পনা, এ বছরের বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট, একজন রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্যের স্বাস্থ্য এবং আরও নানা সম্পর্কহীন বিষয়ে আলোচনা করেন। এটি ছিল ট্রাম্পের চিরাচরিত বৈশিষ্ট্য—পূর্বনির্ধারিত পাণ্ডুলিপিহীন এবং বিস্তৃত আলোচনা। গত সপ্তাহান্তে তিনি ফ্লোরিডার রিসোর্টে গলফ খেলেছেন এবং তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ ওয়েবসাইটে ইরান যুদ্ধের চেয়ে সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অভিযোগ করতেই বেশি সময় ব্যয় করেছেন।ট্রাম্প অন্যান্য বিষয়ে আগ্রহী হলেও তাকে এখন সেই শিক্ষা নিতে হচ্ছে যা আগের মার্কিন প্রেসিডেন্টরা কঠিনভাবে শিখেছিলেন—তা হলো যুদ্ধ একজন প্রেসিডেন্টের পুরো সময় ও মনোযোগ গ্রাস করে নিতে পারে, তিনি তা চান বা না চান। ট্রাম্প আগে যে যুদ্ধকে ‘ইতিমধ্যেই বিজয়ী’ এবং ‘প্রায় সম্পূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছিলেন, এখন প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে যে তার সময়সীমা আরও কয়েক সপ্তাহ বা তার বেশি দীর্ঘ হতে পারে।সোমবার বিকেলে ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, যুদ্ধের কারণে এপ্রিলের শুরুতে পরিকল্পিত চীন সফর এক মাস পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এই পদক্ষেপ সম্পর্কে বলেন, “কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে প্রেসিডেন্টের বর্তমান প্রধান দায়িত্ব হলো ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র (ইরান যুদ্ধের সামরিক নাম) ধারাবাহিক সাফল্য নিশ্চিত করা।”এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
