হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ মূলত রপ্তানি খাতের জন্য ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তারা বিদেশি ব্র্যান্ড ও ক্রেতাদের কাছে স্যাম্পল (নমুনা) পাঠানো ও গ্রহণের কাজে এই ভিলেজ ব্যবহার করেন। পাশাপাশি হালকা যন্ত্রপাতি, ওষুধের কাঁচামাল, বিভিন্ন দলিলপত্র ও পার্সেল পাঠানো-আনার কাজও এখান থেকেই সম্পন্ন হয়।শুধু পোশাকের স্যাম্পল পুড়ে যাওয়ার কারণেই রপ্তানি প্রক্রিয়ায় অন্তত এক মাস দেরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্যোক্তারা বলছেন, স্যাম্পল পুড়ে যাওয়ায় নতুন করে আবার স্যাম্পল আনা, তৈরি ও ক্রেতার অনুমোদন নিতে সময় লাগবে। এতে লিড টাইমে (স্যাম্পল পাওয়া থেকে চূড়ান্ত পণ্য সরবরাহ পর্যন্ত সময়) অন্তত এক মাসের বিলম্ব হবে।বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি এনামুল হক বাবলু বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানি খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হলো। সদস্য কারখানাগুলোকে প্রমাণসহ ক্ষতির তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।’ নিজের কারখানার উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, ‘স্যাম্পলের মূল্য টোকেন হিসেবে ধরা হয়। তাতেই আমার কারখানার প্রায় ৪০ হাজার ডলারের ক্ষতি হয়েছে।’ তিনি আরও সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, ‘পাঁচ দিনের ব্যবধানে তিনটি বড় অগ্নিকাণ্ড ও চট্টগ্রামে প্যাসিফিক জিন্সের সাতটি কারখানা বন্ধ হওয়ার ঘটনার সঙ্গে এ ঘটনার যোগ থাকতে পারে। এটি পরিকল্পিত নাশকতাও হতে পারে।’বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও অগ্নিকাণ্ডকে ‘সাধারণ দুর্ঘটনা নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘গত কয়েক দিনে একাধিক পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এখন বিমানবন্দরের মতো স্পর্শকাতর স্থানে একই ঘটনা—এটি ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়।’ তিনি সরকারের কাছে দ্রুত তদন্ত দাবি করে বলেন, ‘রপ্তানি পণ্য খোলা জায়গায় রাখা হয়, যা নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ ধরনের ঘটনা বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যেও উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে।’ঢাকা কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আলম জানিয়েছেন, আগুনের সূত্রপাত হয় কার্গো ভিলেজের কুরিয়ার সার্ভিস অংশ থেকে। তিনি বলেন, ‘তৈরি পোশাক, ওষুধের কাঁচামাল, দামি মোবাইল ফোনসহ নানা শিল্পের পণ্য ছিল সেখানে। শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় ফ্লাইটে আসা পণ্যগুলো হস্তান্তর করা হয়নি। ফলে সেগুলোই পুড়ে গেছে। সব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ অন্তত হাজার কোটি টাকা।’আমদানি পণ্যে ক্ষতি, রপ্তানি পণ্য নিরাপদবেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতি মূলত আমদানি পণ্যের বেলায় হয়েছে, রপ্তানি পণ্য নিরাপদ আছে। তবে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ উভয় সংগঠনই বলছে, ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে এবং প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এতে দেশের রপ্তানি খাত বড় ধরনের ধাক্কা খাবে।এসআরহযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ মূলত রপ্তানি খাতের জন্য ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তারা বিদেশি ব্র্যান্ড ও ক্রেতাদের কাছে স্যাম্পল (নমুনা) পাঠানো ও গ্রহণের কাজে এই ভিলেজ ব্যবহার করেন। পাশাপাশি হালকা যন্ত্রপাতি, ওষুধের কাঁচামাল, বিভিন্ন দলিলপত্র ও পার্সেল পাঠানো-আনার কাজও এখান থেকেই সম্পন্ন হয়।রপ্তানিতে অন্তত এক মাস পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কাশুধু পোশাকের স্যাম্পল পুড়ে যাওয়ার কারণেই রপ্তানি প্রক্রিয়ায় অন্তত এক মাস দেরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্যোক্তারা বলছেন, স্যাম্পল পুড়ে যাওয়ায় নতুন করে আবার স্যাম্পল আনা, তৈরি ও ক্রেতার অনুমোদন নিতে সময় লাগবে। এতে লিড টাইমে (স্যাম্পল পাওয়া থেকে চূড়ান্ত পণ্য সরবরাহ পর্যন্ত সময়) অন্তত এক মাসের বিলম্ব হবে।বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি এনামুল হক বাবলু বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানি খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হলো। সদস্য কারখানাগুলোকে প্রমাণসহ ক্ষতির তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।’ নিজের কারখানার উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, ‘স্যাম্পলের মূল্য টোকেন হিসেবে ধরা হয়। তাতেই আমার কারখানার প্রায় ৪০ হাজার ডলারের ক্ষতি হয়েছে।’ তিনি আরও সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, ‘পাঁচ দিনের ব্যবধানে তিনটি বড় অগ্নিকাণ্ড ও চট্টগ্রামে প্যাসিফিক জিন্সের সাতটি কারখানা বন্ধ হওয়ার ঘটনার সঙ্গে এ ঘটনার যোগ থাকতে পারে। এটি পরিকল্পিত নাশকতাও হতে পারে।’ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা বিকেএমইএরবিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও অগ্নিকাণ্ডকে ‘সাধারণ দুর্ঘটনা নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘গত কয়েক দিনে একাধিক পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এখন বিমানবন্দরের মতো স্পর্শকাতর স্থানে একই ঘটনা—এটি ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়।’ তিনি সরকারের কাছে দ্রুত তদন্ত দাবি করে বলেন, ‘রপ্তানি পণ্য খোলা জায়গায় রাখা হয়, যা নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ ধরনের ঘটনা বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যেও উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে।’হাজার কোটি টাকার ক্ষতিঢাকা কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আলম জানিয়েছেন, আগুনের সূত্রপাত হয় কার্গো ভিলেজের কুরিয়ার সার্ভিস অংশ থেকে। তিনি বলেন, ‘তৈরি পোশাক, ওষুধের কাঁচামাল, দামি মোবাইল ফোনসহ নানা শিল্পের পণ্য ছিল সেখানে। শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় ফ্লাইটে আসা পণ্যগুলো হস্তান্তর করা হয়নি। ফলে সেগুলোই পুড়ে গেছে। সব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ অন্তত হাজার কোটি টাকা।’আমদানি পণ্যে ক্ষতি, রপ্তানি পণ্য নিরাপদবেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতি মূলত আমদানি পণ্যের বেলায় হয়েছে, রপ্তানি পণ্য নিরাপদ আছে। তবে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ উভয় সংগঠনই বলছে, ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে এবং প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এতে দেশের রপ্তানি খাত বড় ধরনের ধাক্কা খাবে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
