আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, জাতীয় কন্যাশিশু দিবস। দিবসটি ঘিরে নানান কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থা। ২০০৩ সালে কন্যাশিশুদের সুরক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ৩০ সেপ্টেম্বরকে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ঘোষণা করা হয়।দেশের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ শিশুর উন্নয়ন, সুরক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে বর্তমান সরকার। এই শিশুদের অন্তত ১৫ শতাংশ কন্যাশিশু। করোনাকালে কন্যাশিশুর ওপর বঞ্চনা বেড়ে যাওয়ায় দিবসটি বিশেষ গুরুত্ব সহকারে পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।দেশের ৬২ শতাংশ নারী বিশ্বাস করেন, সন্তান ছেলে হলে পরিবারে তাঁদের মর্যাদা বাড়ে; ৫৮ শতাংশ নারীর মতে, মেয়েসন্তান জন্মালে স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির লোকজন খুশি হয় না। এমন অবস্থায় আজ দেশে পালিত হচ্ছে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস। বছর বছর দিবসটি পালন করা হলেও কন্যাশিশুরা এখনো আমাদের সমাজে অনেক ক্ষেত্রেই অবহেলিত। এখনো কেউ কেউ কন্যাশিশুকে পরিবারের বোঝা মনে করে; সমাজে ছেলেকে উত্তরাধিকার, বংশ রক্ষা, বৃদ্ধ বয়সে ভরণ-পোষণের নিশ্চয়তা হিসেবে দেখা হয়।উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহে ২০১২ সাল থেকে প্রতিবছরের ১১ অক্টোবর পালিত হয় আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস। এদিকে প্রতিবছরের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক শিশু সপ্তাহ পালন করা হয়। এই শিশু সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন, অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর পালন করা হয় জাতীয় কন্যা শিশু দিবস হিসেবে।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
