ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরা পানীয় জলের বিকল্প উৎস হিসেবে বাংলাদেশের তিতাস নদীর পানি ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে দ্য ইকোনমিক টাইমস।গত ২৯ আগস্ট (শুক্রবার) মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগরতলা পৌর কর্পোরেশনের বাসিন্দাদের জন্য পানীয় জল সরবরাহে তিতাস নদীর পানি ব্যবহারের প্রস্তাব তিনি বিবেচনা করছেন। বর্তমানে এ নিয়ে গবেষণা চলছে।বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলায় উৎপত্তি হয়ে তিতাস নদী মেঘনা নদীতে গিয়ে মিশেছে এবং সুরমা–মেঘনা নদী ব্যবস্থার অংশ হয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরে নদীটি ত্রিপুরার পাশ দিয়ে গিয়েছে। মানিক সাহার দাবি, হাওড়া, কালাপানিয়া ও কাটাখাল নদী বাংলাদেশ অংশের তিতাসে গিয়ে মিশেছে।তিনি বলেন, ‘তিতাস নদী সম্পর্কে আমার যথেষ্ট ধারণা রয়েছে। আমি আগরতলা পৌর কর্পোরেশনের ৫১টি ওয়ার্ডে এ নদীর পানি সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছি। পরিকল্পনা সফল হলে আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। লক্ষ্য হচ্ছে—আয়রনবিহীন ও বিশুদ্ধ পানি নাগরিকদের সরবরাহ করা।’ত্রিপুরা সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্যের ২০টি শহরাঞ্চলের জন্য জিআইএস মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে আগরতলার পরিকল্পনার কাজ ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহযোগিতায় ‘মুখ্যমন্ত্রী নগর উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় প্রথম ধাপে প্রায় ৫৩০ কোটি রুপির উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
