কলম্বিয়ায় মহাসড়কে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছে। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে।রোববার (২৬ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। কাউকা অঞ্চলের গভর্নর অক্টাভিও গুজমান জানান, শনিবার (২৫ এপ্রিল) কাজিবিওর এল টুনেল এলাকায় প্যান-আমেরিকান মহাসড়কে এই বিস্ফোরণ ঘটে।তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, ‘এখন পর্যন্ত ১৪ জন নিহত এবং আরও ৩৮ জনের বেশি মানুষের আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে, যার মধ্যে পাঁচজন অপ্রাপ্তবয়স্কও রয়েছে।’গুজমান এই ঘটনাকে ‘বেসামরিক জনগণের ওপর নির্বিচার হামলা’ হিসেবে নিন্দা জানান।তিনি বলেন, ‘ব্যথা প্রকাশ করার মতো যথেষ্ট শব্দ আমাদের কাছে নেই’। এ সময় ‘সন্ত্রাসী তৎপরতা’ মোকাবিলায় সরকারের কাছ থেকে ‘দৃঢ় ও ধারাবাহিক” পদক্ষেপের দাবিও জানান তিনি।গভর্নরের শেয়ার করা একটি ভিডিওতে বিস্ফোরণের পরের দৃশ্য সামনে এসেছে। ওই ভিডিওতে সড়কে ছিন্নভিন্ন গাড়ি ও ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা যায়। গুজমান বলেন, ‘কাউকা একা এই বর্বরতার মুখোমুখি হতে পারে না’। তিনি আরও জানান, এল তাম্বো, কালোতো, পোপায়ান, গুয়াচেনে, মেরকাদেরেস ও মিরান্ডা এলাকাতেও সহিংস ঘটনা ঘটেছে।কলম্বিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল হুগো লোপেজ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এটি ‘সন্ত্রাসী হামলা’। তিনি এর জন্য ‘ইভান মোরদিস্কো’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির নেটওয়ার্ক এবং ‘জাইমে মার্টিনেজ’ গোষ্ঠীকে দায়ী করেন।কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো এই হামলার নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের ‘সন্ত্রাসী, ফ্যাসিস্ট এবং মাদক পাচারকারী’ বলে উল্লেখ করেন।এদিকে ভায়ে দেল কাউকা অঞ্চলের গভর্নর ফ্রান্সিসকা তোরো কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ‘তাৎক্ষণিক সহায়তা’ চেয়েছেন। তিনি এক্সে দেওয়া বার্তায় বাড়তি নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন, গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং অপরাধ দমনে ‘দৃঢ় পদক্ষেপ’ নেওয়ার আহ্বান জানান।এমআর-২
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
