ভোটের কালি আঙুল থেকে মুছতে না মুছতেই এবার জ্বালানি তেল নিতে গিয়ে আবারও আঙুলে কালি মাখতে হচ্ছে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার মোটরসাইকেল চালকদের।জ্বালানি তেলের সংকট মোকাবিলা এবং একই ব্যক্তি যাতে একাধিকবার তেল নিয়ে মজুদ করতে না পারে এ লক্ষ্যেই এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন।উপজেলার ফিলিং স্টেশনগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি। পাম্প কর্তৃপক্ষ প্রতিটি চালকের আঙুলে কালি দিয়ে চিহ্নিত করার পরই তেল সরবরাহ করছেন।উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, তেল নিতে আসা প্রতিটি চালকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদর্শন এবং যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে একজন ব্যক্তি দিনে একাধিকবার তেল সংগ্রহ করতে পারছেন না।পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে জ্বালানি তেলের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ সুযোগে কিছু অসাধু ব্যক্তি বারবার লাইনে দাঁড়িয়ে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করে বাইরে বেশি দামে বিক্রি বা মজুদ করার চেষ্টা করছে।তারা আরও জানান, আঙুলে কালি দেওয়ার ফলে একই ব্যক্তি দিনে দ্বিতীয়বার তেল নিতে পারছেন না, যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।তবে স্থানীয় ভুক্তভোগী চালকদের কেউ কেউ এই পদ্ধতিকে সাময়িকভাবে কার্যকর বললেও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই সমাধান হিসেবে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন বলেন, তেল নিতে আসা প্রতিটি চালকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদর্শন এবং যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
