স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: এম এ মুহিত বলেছেন, সরকার প্রতিটি শিশুর জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বাদ যাবে না একটি শিশুও।রবিবার (৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০ টায় গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে হাম-এর টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন, হামের টিকা কার্যকর হওয়ার জন্য এলাকার ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটা শিশুকে যদি আমরা টিকা দিতে পারি তাহলেই আমরা সবাই নিরাপদ থাকবো। যারা আজকে টিকা নিয়ে যাবেন বাড়ী গিয়ে পাড়া-প্রতিবেশী যারা আছে বা যাদের ওই বয়সী বাচ্চা আছে আপনারা তাদেরকে পাঠিয়ে দিবেন।তিনি বলেন, ইতোমধ্যে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সরকার একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্তুগুলো নিচ্ছে। এ ব্যাপারে সহযোগিতা করছে ইউনিসেফ এবং বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। কয়েকদিন পরেই ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনগুলোতেও এই কর্মসূচি শুরু হবে।এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা যে কাজটি করছেন সেটি শুধু সাংবাদিকতা নয়, সেটি মানবতার কাজ করছেন। স্বাস্থ্য বিষয়ে জনগনকে প্রতিরক্ষা দেওয়ার জন্য আপনারাও সেই কর্মসূচীর সৈনিকে পরিণত হয়েছেন। আজকের এই কর্মসূচী আপনারা জাতীয় এবং স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে যথাযথ গুরুত্বসহকারে তুলে ধরলে আরো বেশি মানুষ এ টিকা সম্পর্কে জানতে পারবে আপনাদের প্রচারনা সঠিক হলে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশু টাকাদন কর্মসূচীর আওতায় আসবে এবং আমাদের শিশুরা নিরাপদ থাকবে।টিকার মজুদ নেই- উপস্থিত সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, টিকার সরবরাহ নিয়ে সরকার অত্যন্ত দ্রুত গতিতে পদক্ষেপ নিচ্ছে। যে জায়গাগুলোতে ঘাটতি আছে, সেই ঘাটতিগুলো পূরণ করছে। কর্মসূচি শুরু হয়েছে, তা চলবে। কোনো রকম ঘাটতি থাকবে না।টিকাদান কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা: এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম. মঞ্জুরুল করিম রনি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের ডেপুটি কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ডা: রাজেশ নরওয়াল এবং ইউনিসেফের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ রিজিম ম্যানুয়েল, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়া, জেলা পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দিন, সিভিল সার্জন ডা: মো: মামুনুর রহমান এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীবৃন্দ।ইখা
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
