কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কে যাত্রীবাহী দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক, তাঁর সহকারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাত ৮ টা ৪০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কের নান্দলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে দুর্ঘটনার কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে, ফলে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা এবং চালকরা। পরে দুর্ঘটনাকবলিত দুটি বাস সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহতদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ও শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা ৪০ মিনিটে অসীম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ভৈরব থেকে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। বাসটি কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কের নান্দলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে কিশোরগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা মিনহাজ পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় বাসের চালকসহ অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ও শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে ঢাকায় পাঠানো হয়।কটিয়াদী হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আমরা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। আমরা পৌঁছানোর আগে কিশোরগঞ্জ সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে চলে আসে। এসে দেখি যে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। আমরা এসে আহতদের পায়নি, আগেই স্থানীয়রা আহতদের হসপিটাল পাঠায়। দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটি সরানো হয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শরিফুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। বাস দুটি আটক করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত সর্বশেষ কোন মৃত্যুর ঘটনা ঘটে নাই। পুলিশের টিম হাসপাতালেও তাৎক্ষণিক ইমার্জেন্সি বিভাগে কাজ করে যাচ্ছে। তবে আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে ঢাকায় উন্নততর চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।পিএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
