মানিকগঞ্জের কালিগঙ্গা নদীতে উদ্দার হওয়া মাথাবিহীন লাশের হত্যা কান্ডের কাহিনী উন্মোচন করলেন মানিকগঞ্জ জেলা পিবিআই।নিহত রফিককে গাঁজা সেবনের কথা বলে রাতে ডেকে নিয়ে গিয়ে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত, পরে গলা কেটে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পিবিআই পুলিশ।শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মানিকগঞ্জ পিবিআই পুলিশের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী গ্রামের অটোরিকশা চালক রফিককে তার বন্ধু নির্মাণ শ্রমিক রিপন, সজিব ও আরমান আরেকটি অটোরিকশায় করে সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের পাঁচ-বারইল এলাকায় কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে যায়।সেখানে পৌঁছানোর পর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আরমান রফিকের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।এরপর রিপন ধারালো দা দিয়ে রফিকের গলা কেটে শরীর থেকে মাথা আলাদা করে। এসময় আরমান রফিকের হাত এবং সজিব তার পা ধরে রাখে। হত্যার পর তারা লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে মাথা ও শরীর নদীতে ফেলে দেয়। তবে মাথা পানিতে ডুবে গেলেও শরীর ভেসে ওঠে। এতে আতঙ্কিত হয়ে তারা রফিকের পেট কেটে নদীর তীরে ফেলে রেখে যায়। ঘটনার পর ভোর রাতে নিহতের অটোরিকশা নিয়ে রিপন সাভার এলাকায় পালিয়ে যায়।পরে কালীগঙ্গা নদী থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধারের পর তদন্তে নামে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অভিযানে রিপন, আরমান ও সবুজকে আটক করা হলে তারা জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দেয়।পুলিশ জানায়, হত্যার পেছনের আরও কোন কারণ আছে কিনা তা উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
