পৃথিবীতে নানা কারণ বিশ্ব বাজারে মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যগুলো মূল্য বাড়ে এবং কমে। নানা কেন্দ্রকে ইস্যু ব্যক্ত করে। বিশ্ববাজার যদি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি থাকে তাহলে বাংলাদেশেও বৃদ্ধি পাবে আর যদি বিশ্ববাজারে যদি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য দাম কমে তাহলে বাংলাদেশেও কমবে বিষয়টা স্বাভাবিক, কিন্তু অস্বাভাবিক ব্যাপার হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারজাতকরণে নিত্যপণ্যের দাম কমলেও বাংলাদেশে কিন্তু প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে৷জাতিসংঘের ‘গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে তীব্র খাদ্য সংকটে থাকা শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। গত ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজার জাতে চাল, সয়াবিন, চিনি, জ্বালানি তেল ইত্যাদি দাম বেড়ে গিয়েছিল কিন্তু সে সময় পুরিয়ে দুই আড়াই বছরে বর্তমানে সেটি অর্ধেক দামে এসেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ভিন্নতা দেখাচ্ছে। তবে কেনো বাংলাদেশ জনমানুষ খাদ্যহীন ভুগছেন? এশিয়ার ভৌগোলিক অঞ্চল এই দক্ষিণ এশিয়ায় প্রায় সব রাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি কমলেও কিন্তু বাংলাদেশে সেটার ভিন্ন, গত পিছনের দিকে তাকালে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ আফগানিস্তানের যেখানে ২০২২ সালে এটি ১৩.৭১% ছিল, ২০২২ সালের পর থেকে তা নেতিবাচক (-২.৮%) হয়েছে। তাদের নিত্যপণ্যের দাম আগে থেকে অনেক কমিয়ে আছে।দেশে সাধারণ মানুষের উন্নত দেশে বলদে চোখে পড়ে নিত্যপর্ণ্যের দাম সামর্থ্য তুল্য। মানুষ মনে করে দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণ থাকাটায় তাদের জন্য খুব জরুরি রাষ্ট্রে, বিষয়টি ভাবা স্বাভাবিক। কিন্তু সরকার এদিকে লক্ষ্য দিচ্ছে না তা নিয়ে সন্দিহান জনগণ। অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত কিংবা প্রবাসী আয়ের চেয়েও সাধারণ মানুষের কাছে নিত্যপণ্যের দাম বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।গত ৫ আগস্ট ২৪’শে ছাত্র গণভূখ্যানে মুখে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সে সময় তার সরকার পতন হয় । এরপর দেশে নতুন এক যাত্রা শুরু করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন মধ্যে দিয়ে। তবে সাধারণ মানুষ ভোগান্তি যেনো কমছেনা বিশেষ করে নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু ও দ্রব্য মূল্য উদ্ধ দামের জন্য।ছাত্রজনতার দাবীর প্রেক্ষিতে অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন হয় ড. মোহাম্মদ ইউনুস হাত ধরে তিনি প্রধান উপদেষ্টা ও তার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা দিয়ে এই সরকার গঠন হয়। সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টিকারী দলগুলো ও নানা সময়ে শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় আন্দোলন হয় চলতেছে প্রতিনিয়ত । তবে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনার কথা এসেছে ব্যবসায়ীদের ও সাধারণ জনগণের মুখে৷বুধবার (১০ ডিসেম্বর) পুরান ঢাকায় বাবু বাজার, নাজির বাজার, তাঁতি বাজার সদরঘাট এলাকায় পর্যবেক্ষণে দেখা যায় নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য এবং দ্রব্যের ব্যবসায়ীগণ বলেন যে, এখন আগের চেয়ে সব কিছু নাম বেড়ে গেছে আমরা পাইকারি জিনিসগুলো আগে থেকে অনেক বেশি দামে কিনতে হয় ফলে বিক্রি করতে হয় আগে থেকে বেশি দামে এতে করে আমরা ক্রেতা ও বিক্রেতা অনেক ভোগান্তি শিকার হচ্ছি এতে করে আমাদের ব্যাবসা হাল খুব খারাপ তার সাথে ক্রেতারা দামের ক্ষেত্রে অসন্তুষ্ট।তবে সাধারণ মানুষজন বলেন, এই দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য সাধারণ মানুষ অনেকটা খারাপ অবস্থায়। দিন দিন নিত্য প্রয়োজনীয় সকল কিছু এবং খাদ্যসহ সব কিছু দামেই বাড়ছে এতে করে আমরা আমাদের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছি। তারা আরো বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে আমরা বলি তিনি যেন জনগণের চাহিদা অনুযায়ী মূল্য বহাল রাখে যাতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও জিনিস আমাদের কিনার মতো সমর্থ হয়।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
