একদিন জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের ছেলের সঙ্গে একই মাঠে খেলতে নামার স্বপ্ন দেখছেন পর্তুগালের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। চলতি বছর শুরুতে এক সাক্ষাৎকারে এমন স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলেন তিনি। ঐ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার ১৪ বছর বয়সী ছেলের সঙ্গে একসঙ্গে খেলতে চাই। সেটা সম্ভব হবে কি না, সময়ই বলবে। তবে এটা আমার চেয়ে ছেলের ওপরই বেশি নির্ভর করছে।’রোনালদোর সেই স্বপ্ন হয়তো পূরণ করতেই ছেলে জুনিয়র রোনালদো ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। তুরস্কে আগামী ৩০ অক্টোবর শুরু হতে যাওয়া ফেডারেশন কাপকে সামনে রেখে পর্তুগালের অনূর্ধ্ব–১৬ দল ঘোষণা করেছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। ২২ জনের এই দলে জায়গা পেয়েছেন রোনালদো জুনিয়র। প্রধান কোচ ফিলিপে রামোসের অধীনে এই টুর্নামেন্টেই প্রথমবার জাতীয় দলের এই স্তরে খেলবেন তিনি।এদিকে রোনালদো বয়স এখন ৪০ ছুঁইছুঁই। তবে ফিটনেসে এখনও তরুণদের চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, সব কিছু ঠিক থাকলে আরও দুই থেকে তিন বছর খেলা চালিয়ে চালিয়ে যেতে পারেন ‘সিআর সেভেন’। আর ঠিক এই সময়েই তাঁর বড় ছেলে রোনালদো জুনিয়র পা রাখছেন আন্তর্জাতিক বয়সভিত্তিক ফুটবলে। এর আগে চলতি বছরের মে মাসে পর্তুগালের অনূর্ধ্ব–১৫ দলে খেলে নজর কাড়েন জুনিয়র। ক্রোয়েশিয়ায় একটি ডেভেলপমেন্ট টুর্নামেন্টের ফাইনালে স্বাগতিকদের বিপক্ষে করেন জোড়া করেছিলেন তিনি। সম্ভবত সেই পারফরম্যান্সই তাঁকে দ্রুত অনূর্ধ্ব–১৬ দলে জায়গা করে দিয়েছে।রোনালদো জুনিয়র বর্তমানে বাবার ক্লাব আল নাসরের বয়সভিত্তিক দলে খেলছেন। এর বাইরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পর্তুগালের জার্সি গায়ে খেলাটা যেন আরও এক ধাপ ওপরে ওঠা। যদি এমন ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে তাহলে তাহলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের মূল দলে তাঁর নাম দেখা যেতেও পারে।রোনালদো জুনিয়র চাইলে যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড, স্পেন কিংবা কেপ ভার্দের জার্সি গায়ে খেলতে পারতেন। জন্মসূত্রে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলার সুযোগ ছিল। আবার রোনালদোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে দীর্ঘদিন থাকার সুবাদে ইংল্যান্ডও চাইলে তাঁকে নিতে পারত।রিয়াল মাদ্রিদে থাকার সময় আট বছর বয়স পর্যন্ত স্পেনেও ছিলেন জুনিয়র। তিন বছরের আবাসিক নিয়মে স্পেনের নাগরিকত্বও পেতে পারতেন। কেপ ভার্দে ছিল মায়ের দিকের সূত্রে আরেকটি বিকল্প। তবে শেষ পর্যন্ত বাবার দেশ পর্তুগালকেই বেছে নিয়েছেন তিনি।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
