কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় গভীর রাতে কৃষকের গোয়াল ঘর থেকে ছয়টি গরু চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একসঙ্গে এতগুলো গরু চুরি হওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এতে পুলিশের আইনশৃঙ্খলার এমন পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন নাগরিক।রবিবার (০৫ অক্টোবর) দুপুরে ভুক্তভোগী কৃষক মালিক দ্বীন ইসলাম বাদী হয়ে পাকুন্দিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে গতকাল শনিবার গভীর রাতে উপজেলার এগারোসিন্দু ইউনিয়নের বাহাদিয়া গ্রামে এ চুরির ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী কৃষক মালিক দ্বীন ইসলাম জানান, গতকাল রাতে গরুকে খাবার দিয়ে ঘুমাতে চলে যান তিনি। দিবাগত রাতে কোন একসময়ে তার ১টি দোয়াল গাভীসহ ১টি বাছুর, ১টি গর্ভবতী গাভী, ১টি গাভী বাছুর, মোট ৪টি গরু কে বা কারা রাতের অন্ধকারে চুরি করে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য ৩ (তিন) লক্ষ টাকা এবং একই বাড়ির মাইন উদ্দিনের ১টি গাভীসহ ১টি বাছুর, যার বাজার মূল্য ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা।এ সময় তারা জানান, আমরা উভয়েই রাত প্রায় ০৩ ঘটিকার সময় গরু দেখার জন্য উঠি এবং গোয়াল ঘরে যাই। গিয়ে দেখি আমাদের গরুগুলি গোয়াল ঘরে নেই। তখন আমাদের ডাকচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আশেপাশের লোকজন নিয়ে এলাকায় খোঁজাখোঁজি করি এবং আমাদের বসত ঘরে লাগানো সিসি ক্যামেরা পরীক্ষা করে দেখি। কিন্তু সিসি ক্যামেরার মধ্যে চোরের চেহারা চিনতে পারিনি। এরপর সকালে আশেপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে দুপুরে থানায় গিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়ে আসি।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জানায়, চুরি হওয়া ৬টি গরুর মূল্য আনুমানিক প্রায় ৫ লাখ টাকা। এ ঘটনায় তারা চরম হতাশা ও দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।স্থানীয়রা জানান, দ্বীন ইসলাম ও মাইন উদ্দিনের বাড়ি বাহাদিয়া গ্রামের কিশোরগঞ্জ-গাজীপুর মহাসড়কের পাশে হওয়ায় চোরেরা মিনি ট্রাক বা ভুটভুটি ব্যবহার করে গরুগুলো নিয়ে যেতে পারে। কিছুদিন পরপরই এমন চুরি ডাকাতির মতো ঘটনা ঘটে চলছে এই উপজেলায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধির দাবীও উঠেছে সচেতন মহলে।পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেনের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি বিষয়টি সময়ের কণ্ঠস্বরকে নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী কৃষক দুপুরের দিকে এসে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে গেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ঘটনা জানার পর থেকে চুরি যাওয়া গরুগুলো উদ্ধার ও চোর সনাক্ত করতে জোরতৎপরতা চালানো হচ্ছে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
