প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্য ভুলভাবে প্রচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।বাংলাফ্যাক্ট জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের ‘কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা’ তুলে নেয়ার কথা বলেননি ড. ইউনূস।বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিম জানায়, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ অবস্থায় দলটি নির্বাচন করতে পারবে না। তার ভাষায়, ‘অন্যথায়, আমরা নির্বাচন করতে পারব না।’অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভার সিদ্ধান্ত ছিল, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটির যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।’ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সংবাদমাধ্যম জেটিওকে সাক্ষাৎকার দেন প্রধান উপদেষ্টা। সাংবাদিক মেহেদি হাসান এই সাক্ষাৎকার নেন। তার সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনায় অধ্যাপক ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব নেয়ার প্রসঙ্গও উঠে আসে। সাক্ষাৎকারটি সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশ করেছে জেটিও। সাক্ষাৎকারে, জাতীয় নির্বাচন আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগে কেন হচ্ছে না? মিয়ানমারের ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী? আওয়ামী লীগকে কার্যত নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত তিনি কীভাবে ব্যাখ্যা করেন?– এমন বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন মেহেদি হাসান।এমআর-২
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
