চীন নেতৃত্বাধীন অর্থনৈতিক জোট ব্রিকসে পূর্ণ সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছে ফিলিস্তিন। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সাড়া পায়নি দেশটি। তাই আপাতত অতিথি বা পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবেই অংশ নেবে ফিলিস্তিন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত আবদেল-হাফিজ নোফাল।রুশ সংবাদ মাধ্যম ‘তাস’ এর বরাত দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে তুরস্কের সরকারি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি। তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয় গতকাল শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত আবদেল-হাফিজ নোফাল।নোফাল বলেন, ‘ফিলিস্তিন এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দিয়েছে। তবে কিছু শর্ত রয়েছে। আমি মনে করি, এই শর্তগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ফিলিস্তিন অতিথি হিসেবেই থাকছে। এখনো আমরা কোনো উত্তর পাইনি।’এর আগে, ২০০৬ সালে ব্রিকস গঠিত হয়। সে সময় জোটের সদস্য দেশগুলো ছিল—রাশিয়া, চীন, ভারত ও ব্রাজিল। পরে ২০১১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা যুক্ত হয়। ২০২৪ সালে ব্লকে যোগ দেয় মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইথিওপিয়া ও ইরান। এ বছরের জানুয়ারিতে ইন্দোনেশিয়া নতুন সদস্য হয়েছে।ব্রিকসের অংশীদার দেশগুলোর মধ্যে আছে বেলারুশ, বলিভিয়া, কিউবা, কাজাখস্তান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, থাইল্যান্ড, উগান্ডা, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনাম।ফিলিস্তিনের আবেদনের প্রতিক্রিয়ায় চীন শুক্রবার জানায়, ‘আমরা আরও সমমনোভাবাপন্ন অংশীদারদের ব্রিকসে যোগ দেওয়ার বিষয়কে স্বাগত জানাই। আমরা চাই সবাই মিলে ন্যায্য ও ভারসাম্যপূর্ণ আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে।’চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বেইজিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ব্রিকস হলো উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এটি বহুমেরুকরণ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গণতন্ত্রায়ণে শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে। প্ল্যাটফর্মটি গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোতেও ব্যাপক স্বীকৃতি পেয়েছে।’আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
