নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চলের আলোকবালী ইউনিয়নের মুরাদনগর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে পাঁচজন।বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে মুরাদনগর গ্রামে ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্যসচিব আব্দুল কাইয়ুম মিয়ার সমর্থকরা আহ্বায়ক শাহ আলম চৌধুরীর সমর্থকদের উপর হামলা চালালে এ সংঘর্ষ হয় বলে জানান স্থানীয়রা। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।নিহত ব্যক্তির নাম ইদন মিয়া (৫৫)। তিনি মুরাদনগর গ্রামের বাসিন্দা। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান। আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।স্থানীয়রা আরও জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, নদী থেকে বালু উত্তোলন, দখল নিয়ে তাদের মধ্যে বৈরিতা চলে আসছে। এরই প্রেক্ষিতে আজ ভোরে কাইয়ুমের সমর্থকরা মুরাদনগর গ্রামে হামলা চালালে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। স্পিডবোটের মাধ্যমে বহিরাগত ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা এই সংঘর্ষে জড়ায়।ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহ আলম চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দোসর বহিষ্কৃত সদস্যসচিব কাইয়ুমের নেতৃত্বে মুরাদনগর গ্রামে অস্ত্র, ভাড়াটে সন্ত্রাসী ও আওয়ামী লীগের কর্মীদের নিয়ে হামলা চালানো হয়। এর প্রতিবাদে এলাকাবাসী প্রতিরোধ গড়ে তোলে।’এই ঘটনার পর থেকে বহিষ্কৃত সদস্যসচিব কাইয়ুম মিয়া সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি সাংবাদিকবৃন্দ।নরসিংদী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুই গ্রুপের সংঘর্ষের খবর পেয়ে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। এ ঘটনায় একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।এআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
