নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ির ধনু নদীতে বরযাত্রীবাহী স্পিডবোট ডুবে নারীশিশুসহ চারজনের নিখোঁজের ৪০ ঘন্টা পর আরও এক জনের মরদেহ ভেসে ওঠলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে।রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটায় ঘটনাস্থল থেকে ১ কিলোমিটার দূরে পাঁচহাট গ্রামের সামনে মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। উদ্ধারকৃত মরদেহটি। সামসু মিয়ার এগারো বছরের মেয়ে সামিয়ার।এর আগে আজ রবিবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে পাঁচহাট গ্রামের কিনারায় মরদেহ দুটো ভাসতে দেখেন খোঁজ করা স্থানীয়রা। উদ্ধারকৃত দুইজন হলেন স্বপন মিয়ার সাত বছর বয়সের শিশুকন্যা লায়লা ও বর রানা মিয়ার বোন শিরিন (১৮)। এর পূর্বে গতকাল শনিবার দুপুরে উষামনি নামের পাঁচ বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার হয়। এই নিয়ে গত দুইদিনে স্থানীয়দের সহযোগিতায় নিখোঁজ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। উদ্ধারকৃতদের মরদেহ হস্তান্তরের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার অভিযান সমাপ্তি ঘোষণা করেছে।উল্লেখ্য, গত শুক্রবার দুপুরে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের আন্ধাইর গ্রামের নবাব মিয়ার ছেলে রানা মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠানের বরযাত্রী নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি স্পিডবোট ভাড়া আনা হয়েছিল। বোটটি বরযাত্রী রওনা হবার আগ মূহুর্তে কিছুক্ষণের জন্য বিয়ে বাড়ির ১২ জন মিলে শুক্রবার বিকালে তারা ধনু নদীতে বিয়ের নিয়ম অনুযায়ী পানি কাটতে যায়। পরে পাচহাট আন্ধাইর গ্রামের ভীম জালের মাছ ধরা নৌকার সাথে ধাক্কা খেলে মাঝ ধরার নৌকার মাঝি স্পীডবোট থামাতে বলে পরে বোটে ওঠে চালকের সাথে ধস্তাধস্তি করতে থাকে। এসময় বোটটি ডুবে গেলে আটজন সাঁতরে অন্য নৌাকায় ও তীরে ওঠেন এবং এ ঘটনায় নারী শিশুসহ চারজন নিখোঁজ হন তারমধ্যে এ পর্যন্ত চারজনের মরদেহ মধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান জানান, গত দুইদিন ধরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা নিখোঁজদের উদ্ধারে কাজ করছে । ইতিমধ্যে নিখোঁজ চারজনেরই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মরদেহ গুলো স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
