জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে নানা অসঙ্গতি থাকলেও ভোট চুরির কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম।শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই দাবি করেন তিনি।মাজহারুল বলেন, ‘ভোটের দিন নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা ও অসঙ্গতি ছিল। তবে ভোট কারচুপি কিংবা ভোট চুরির মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।’ফলাফল যা-ই হোক, মেনে নেবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা আছে আমাদের। স্বচ্ছভাবেই ভোট গণনা চলছে বলে মনে করি।’ব্যালট সংগ্রহকারী কোম্পানিকে রাজনৈতিক তকমা দিয়ে ওএমআর পদ্ধতি বাতিল করাটা খুবই অযৌক্তিক বলেও মন্তব্য করেন শিবিরের এই জিএস প্রার্থী।দীর্ঘ ৩৩ বছর পর গত বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হয় ১০ম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন। একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলের সংসদ নির্বাচনও হয়।গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলে ৫টা পর্যন্ত। তবে অনিয়ম, অস্বচ্ছতা ও পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জাকসু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেল। একই সময়ে ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশ) প্যানেল ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনাস্থা জানায়। বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরাও কারচুপি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ করেন। তবে শিক্ষার্থীদের অনেকেই এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক দোষারোপ হিসেবে দেখছেন এবং শেষ সময় পর্যন্ত ভোটগ্রহণে অংশ নিয়েছেন।এবারের জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৭ জন। বিভিন্ন পদে মোট ১৭৮ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৯ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৯ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
