জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ কিশোরগঞ্জে পদযাত্রা শুরু করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। শনিবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়াম থেকে জেলা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে এনসিপির নেতা-কর্মীদের পদযাত্রাটি শুরু হয়। শহরের প্রধান সড়কে এক কিলোমিটার পদযাত্রা শেষে পুরান থানা এলাকায় গিয়ে শেষ হবে পদযাত্রাটি। সেখানে জনসমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁদের। সমাবেশ শেষে রাতে এনসিপি নেতৃবৃন্দ কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউসে জুলাই গণ-আন্দোলনে শহীদদের পরিবারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এদিকে এনসিপির কর্মসূচি উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সমাবেশ শুরুর আগে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়। সমাবেশে বিভিন্ন স্থানে থেকে মিছিল নিয়ে আসেন সংগঠনের কর্মীরা। কিশোরগঞ্জের পদযাত্রা কর্মসূচিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনীম জারা, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুউদ্দিন পাটোয়ারী, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ, সিনিয়র মুখ্য সমন্বয়ক হান্নান মাসউদসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত রয়েছেন। পদযাত্রা ও সমাবেশ উপলক্ষে বিকাল থেকে কিশোরগঞ্জ জেলার কিশোরগঞ্জ সদর, নিকলী, ইটনা, মিঠামইন, তাড়াইলসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে এনসিপির নেতা–কর্মীরা পুরান থানা এলাকায় এসে জড়ো হন। এ সময় তাঁদের হাতে ব্যানার ও ফেস্টুন ছিল। এনসিপির নেতাদের কিশোরগঞ্জে স্বাগত জানিয়ে শহরে একাধিক তোরণের পাশাপাশি ব্যানার টাঙানো হয়েছে। পদযাত্রা ও সমাবেশকে ঘিরে জেলার প্রতিটি উপজেলায় মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক ইকরাম হোসেন বলেন, সমাবেশে ৫০ হাজার মানুষের সমাগম ঘটতে পারে। কিশোরগঞ্জ সদর, নিকলী, ইটনা, মিঠামইন, তাড়াইলসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে এনসিপির নেতা–কর্মী ও সমর্থকেরা সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত সরকার জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এনসিপির পদযাত্রা চলছে। গোপালগঞ্জের মতো পরিস্থিতি যেন কিশোরগঞ্জে না ঘটে, সে জন্য পুলিশের পাশাপাশি র্যাব, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও এপিবিএন মাঠে রয়েছে। আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
