ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দোকানঘর দখল ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. সজিব মিয়া তার চাচাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার ধামশুর মৌজার বি.আর.এস সাবেক দাগ নম্বর ৩৪৭ এবং বর্তমান দাগ নম্বর ৪৪৯৩-এর মোট ৫ দশমিক ২৩ শতাংশ জমির ওপর সজিব মিয়ার পিতা মৃত আলী হোসেন একটি দোকানঘর নির্মাণ করেন। পিতার মৃত্যুর পর থেকে সজিব মিয়া একাই দোকানটি পরিচালনা করে আসছিলেন।ভুক্তভোগীর দাবি, সম্প্রতি তার চাচারা-ইব্রাহীম, আব্বাস, আসাদ ও আক্তার হোসেন-জমিতে অংশীদারিত্ব দাবি করে তার ব্যবসা কার্যক্রমে বাধা দেন। এক পর্যায়ে রাতের আঁধারে দোকানের সামনে একটি ট্রাকভর্তি বালু ফেলে রাখা হয় এবং দোকানের পেছনে তালা লাগিয়ে সেটি অবরুদ্ধ করে দেওয়া হয়। পরদিন তিনি প্রতিবাদ জানালে দোকান ছেড়ে না দিলে ভেঙে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।সজিব মিয়া আরও জানান, স্থানীয়ভাবে একাধিকবার শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান হয়নি। এছাড়া তিনি তার ফুপু আকিমন্নেসার কাছ থেকে অতিরিক্ত ২ দশমিক ০৭ শতাংশ জমি ক্রয় করলেও সেই জমিতেও তাকে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন।ঘটনার পর তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিবাদীদের শুনানিতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং জমি বুঝিয়ে দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। তবে এখনো সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।দীর্ঘদিন দোকান বন্ধ থাকায় তার ব্যবসা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে এবং এতে প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী।অভিযোগের বিষয়ে বিবাদী ইব্রাহীম শেখ বলেন, সজিব মিয়ার পিতা আলী হোসেন জীবদ্দশায় সম্পত্তি বিক্রি করে গেছেন। তাই এখানে তাদের কোনো জমি নেই।এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকবাল হোসাইন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানি গ্রহণ করে বিবাদী পক্ষকে জমি বুঝিয়ে দিতে বলা হয়েছে। এরপরও সমাধান না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।ইখা
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
