বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে অনন্য ভূমিকা পালন করে চলেছে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। আধুনিক ও বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় শিক্ষিত তরুণ তরুণীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি পরিশ্রম করে যাচ্ছে।প্রতিষ্ঠানটিতে প্রতি বছর দুইটি সেশনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।মূলত হাতে কলমে শিক্ষা প্রদানের ওপর জোর দিয়ে এখানে প্রশিক্ষণার্থীদের আধুনিক কম্পিউটার কোর্স সম্পন্ন করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে।জানাগেছে, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব বাড়াতে প্রতিটি সেশন শেষে বিশেষ মূল্যায়নের ব্যবস্থা রয়েছে। সেশন সমাপনী পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করা হয়। প্রশাসনের এই নিয়মিত তদারকি ও উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। কোর্স শেষে উত্তীর্ণ প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে সরকারিভাবে স্বীকৃত ৬ মাস মেয়াদি সনদ প্রদান করার কারণে দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহায়ক। এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মূল কারিগর ও নির্দেশক হিসেবে কাজ করছেন আইটি বিশেষজ্ঞ, ট্রেইনার ও ফ্রিল্যান্সার মোজাম্মেল হক। তাঁর দক্ষ তত্ত্বাবধানে এ পর্যন্ত ত্রিশাল উপজেলার দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী সরাসরি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি শুধু দক্ষতা দিচ্ছে না বরং বেকারত্ব দূরীকরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। অসংখ্য শিক্ষার্থী এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরতসহ অনেকে নিজস্ব আইটি ব্যবসা শুরু করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।ট্রেইনার ও ফ্রিল্যান্সার মোজাম্মেল হকের মতে, এই কেন্দ্রটি ত্রিশালের শিক্ষিত যুবসমাজের ভাগ্যোন্নয়নে মাইলফলক হিসেবে কাজ করছে।এ বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী জানান, বর্তমান যুগ তথ্য-প্রযুক্তির যুগ। আজকের এই দিনে একজন তরুণ তরুণীকে বাজারে প্রতিযোগিতার মধ্যে অবতীর্ণ হতে গেলে তথ্য-প্রযুক্তির জ্ঞান থাকা জরুরি। সেই আলোকে আমরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি, যার কারণে ত্রিশাল উপজেলার প্রান্তিক যুবক যুবতীরা কম্পিউটার শিখে দক্ষ হচ্ছে এবং তথ্য-প্রযুক্তি খাতে তারা বিশ্ববাজারে যোগ্যতা অনুসারে নিজেদেরকে শামিল করছে।ইখা
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
