অস্ট্রেলিয়া ইরানের রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার করে কূটনৈতিক সম্পর্ক নিম্নস্তরে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়ার পর, বৃহস্পতিবার তেহরানও দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্ব কমিয়েছে।ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেয়ি সংবাদমাধ্যম তাসনিমকে বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার পদক্ষেপের জবাবে ইরানও অস্ট্রেলিয়ার কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্বের মাত্রা কমিয়েছে।”তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত ইতোমধ্যে তেহরান ছেড়ে গেছেন। বাঘেয়ি অস্ট্রেলিয়ার এই সিদ্ধান্তকে “অন্যায্য” বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন এটি দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।বাঘেয়ি বলেন, “আমরা কূটনৈতিক সম্পর্ক হ্রাসকে স্বাগত জানাই না, কারণ আমরা মনে করি এ ধরনের পদক্ষেপের কোনো যৌক্তিকতা নেই। এটি দুই জাতির সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে।” তিনি আরও বলেন, ক্যানবেরায় ইরানি কনস্যুলার সেকশন কার্যকর রয়েছে এবং সেখানে বসবাসরত ইরানি নাগরিকদের জন্য প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবা অব্যাহত থাকবে।সংবাদ সম্মেলনে বাঘেয়ি ইরানের বিরুদ্ধে ইহুদিবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের অভিযোগকে “উদ্ভট ও ভিত্তিহীন” বলে অভিহিত করেন। এর আগে গেল সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়া ইরানের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করেছিল। ক্যানবেরা জানায়, তেহরান মেলবোর্ন ও সিডনিতে ইহুদিবিদ্বেষী অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত ছিল।অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ দাবি করেন, গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়নে উঠে এসেছে যে, ইরান ২০২৪ সালের অক্টোবরে সিডনির লুইস কন্টিনেন্টাল ক্যাফেতে অগ্নিসংযোগ এবং ডিসেম্বর মাসে মেলবোর্নের আদাস ইসরায়েল সিনাগগে অগ্নিসংযোগ পরিচালনা করেছিল। যদিও এসব ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।রাষ্ট্রদূত বহিষ্কারের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া তেহরানে তাদের দূতাবাস কার্যক্রম স্থগিত করেছে এবং দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসকে (আইআরজিসি) সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করার পরিকল্পনাও জানিয়েছে।সূত্র : আনাদোলুএবি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
