কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার পিতলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র প্রকল্পের নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজের শুরুতেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করেছে, শুরু থেকেই অভিযোগ এলাকাবাসীর। এলাকাবাসী জানায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে প্রকল্পের ঠিকাদার নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করছে।এদিকে, এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের ফোন করা হলেও নেই কোনো অগ্রগতি। তাদের স্বেচ্ছাচারিতা আর নীরব ভূমিকার কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমান ও নম্বরবিহীন এসব ইট, বালি, খোয়া ব্যবহার করে কাজ করছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইসতিয়াক হোসাইন উজ্জ্বল প্রকল্পটির কাজ তদারকি করার কথা থাকলেও সেখানে কোনোদিন দেখা যায়নি তাকে। দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ঠিকাদার ইচ্ছামতো কাজ করে যাচ্ছেন। ফলে দুর্নীতির চিত্র এতটাই ভয়াবহ হয়ে দাঁড়িয়েছে যে হাতের স্পর্শেই খসে পড়ছে ভবনের বিভিন্ন অংশ। শুধু তাই নয়, এরই মধ্যে বেশ কিছু জায়গায় দেখা দিয়েছে ফাটল। এমন নিম্নমানের কাজের কারণে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয়রা। কাজে দুর্নীতি হলেও পিআইওর ৭০ শতাংশ অর্থ ছাড় হাতছানি দিচ্ছে বড় ধরনের দুর্নীতির। আর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলছেন, সমাধানে নেয়া হচ্ছে ব্যবস্থা।জানা গেছে, পিতলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয়েছে আধুনিক বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র। (৩য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প ২০২২-২০২৩ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এ কাজটি শুরু হয়। ততকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রায় ৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকায় আশ্রয়কেন্দ্রটি নির্মাণ করেছেন এস এন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, যা কাজের উদ্বোধন করেন তৎকালীন সংসদ সদস্য কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি। স্বাভাবিক পরিবেশে বিদ্যালয়ে নির্মিত আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ভবনটি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের ভবন হিসেবেই ব্যবহার করবে। এতে বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষার পরিবর্তন ঘটবে। একই সঙ্গে ভবনটিতে বন্যাসহ যে কোনো দুর্যোগে চার শতাধিক মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। ভবনটিতে বিশুদ্ধ পানি, পয়োনিষ্কাশন ও নানা সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি নির্মিত হয়েছে বড় আকারের একটি শেড, যেখানে শতাধিক গবাদিপশুও আশ্রয় নিতে পারবে। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্মাণ শুরুর পর থেকেই ঠিকাদার নিম্নমানের নাম ও নম্বর ছাড়া ছোট আকারের নিম্নমানের ইট ব্যবহার করেছে। ইট ছোট হওয়ার কারণে দেওয়ালের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ ছোট হয়ে আছে। নিম্নমানের বালু, কংক্রিট ব্যবহার করাও হয়েছে। তবে এলাকাবাসী বিভিন্ন মাধ্যমে অভিযোগ করলেও লাভ হয়নি। গত জুলাই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর এসব নিম্নমানের কাজ নিয়ে অভিযোগ তুলে এলাকাবাসী ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন।অনিয়ম করার জন্য রাতের অন্ধকারে ছাদ ঢালাইও করা হয়েছে। একটি ছাদ তিনবারে ঢালাই করা হয়েছে। এতে ছাদের গুণগত মান এবং স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বৃষ্টি হলে ছাদের জোড়া অংশ দিয়ে পানি লিকেজের সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া দুই পাশে পুরুত্ব ঠিক রেখে কৌশলে মাঝখানে ঢালাইয়ে পাথর কম দেওয়া হয়েছে। ঢালাইয়ে ব্যবহৃত পাথরের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ১০০ কিংকর পরিমাণের ওপিসি সিমেন্ট দিয়ে ঢালাইয়ের কথা থাকলেও ৭৫ কিংকর মানের লোকাল সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করা হয়েছে। দুর্নীতির পর্যায় কতটা চূড়ান্ত হলে একটি কংক্রিট ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই ফাটল দেখা দিতে পারে। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের এমন কোনো ধাপ নেই যা বাকি রেখেছেন এস এন এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পুরো ভবনের এমন অবস্থা দেখে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী, কারণ এই ভবন শুধু স্কুল নয়, ব্যবহৃত হবে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবেও। এমন নিম্নমানের কাজ দেখে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েও পাননি সমাধান। তাই দ্রুত সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করে ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, সিডিউলে উন্নতমানের ইট, পাথর ও রড, সিমেন্ট দিয়ে কাজ করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আঁতাত করে নিম্নমানের ইট, খোয়া, বালি এবং পরিমাণে কম সিমেন্ট ও অতিরিক্ত পরিমাণে বালি ব্যবহার করেছে। প্রয়োজনীয় তদারকির অভাবে ঠিকাদারের লোকজনের যোগসাজশে দায়সারাভাবে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে বিদ্যালয়ের ভবনের কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। ঢালাইয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে ময়লাসহ নিম্নমানের বালু ও ইটের খোয়া। যেভাবে কাজ করা হচ্ছে, তাতে ভবনটি ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ভবনে ছেলে-মেয়েদের কীভাবে লেখাপড়া করাতে পাঠাবো তা নিয়ে চিন্তা হচ্ছে। জীবন গেলে যাবে আমাদের সন্তানের, যাবে না তো পিআইও, ইউএনও কিংবা জীবন নিয়ে খেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সন্তানদের। কিন্তু সেটা কি সম্ভব, হতেও পারে এদের মতোই অন্য অঞ্চলের দুর্নীতিবাজরা বানিয়েছে তাদের সন্তানদের স্কুল ভবন। তখন তাদের কি হবে, প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়।পিতলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আফাজ বলেন, আমি নিয়মিত স্কুলে আসি, দুই বছর ধরে এ কাজ চলছে। আমাদের স্কুলের যে কাজ চলছে তা খুব নিম্নমানের হচ্ছে। হাত দিয়ে দিলেই প্লাস্টার উঠে আসে। ভিতরে ফাটল ধরছে। এমন কাজ জীবনে দেখি নাই, হাতে চিমটি দিলে যে প্লাস্টার উঠে আসে।হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি বিল্লাল হোসেন বলেন, সিডিউলে যেভাবে কাজটি করার কথা, সেভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি করছে না। ‘ঢালাইয়ে অতিরিক্ত বালু, নিম্নমানের ও ময়লাযুক্ত পাথর, নিম্নমানের কাদাযুক্ত বালু ব্যবহার করা হয়েছে। দুই ও তিন নম্বর ইট দিয়ে বিদ্যালয় ভবনের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। শুধু তাই নয়, কাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নির্মাণসামগ্রীর নমুনা সংরক্ষণের নিয়ম থাকলেও তারা তা করেনি। কাজের মান নিয়ে অভিযোগ তোলার পর মনগড়াভাবে কয়েকটি নমুনা তৈরি করেছে। এখানে যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবো আমরা। নির্মাণ কাজের শুরু থেকে তারা অনিয়ম করে আসছেন। আমরা যখন আসি, তখন ভালো করে কাজ করে আবার চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা অনিয়মের আশ্রয় নেয়। আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, সঠিক তদন্ত করা হোক।পিতলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ সরকার বলেন, স্কুলের কাজটাতে কিউরিংয়ের অভাব হয়েছে। কলাম এবং ভিমের মাঝে ফাটল দেখা দিলে এতে সিলার দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আমি ইউএনও মহোদয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগে অভিযোগ জানিয়েছি। ইঞ্জিনিয়ার মহোদয়কেও বিষয়টি জানানোর পর তিনি ঠিকাদারের ম্যানেজারকে বলে দিয়েছেন ভালোভাবে কাজ করার জন্য। কাজ চলমান আছে, বিষয়টি তদন্তাধীন আছে।এ বিষয়ে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা বলেন, পিতলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে আমাদের একটা বন্যা আশ্রয়ন প্রকল্পের কাজ আমরা পর্যবেক্ষণ করেছি। প্লাস্টার যেখানে খুলে খুলে পড়ছে, আমরা তা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ভালো মানের বালু এবং সিমেন্ট ব্যবহার করতে হবে। টাইলসের কাজ একরুমে করা হয়েছে, বাকি রুমগুলোতে ভালোভাবে করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। রংয়ের কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। কাজটি সঠিকভাবে করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।হোসেনপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ইসতিয়াক হোসাইন উজ্জ্বল বলেন, পিতলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে আমাদের একটা বন্যা আশ্রয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে ২০২৩ সালের দিকে। ওয়ার্ক অর্ডারে সময় ছিল ১৮ মাস। কিন্তু সময় এক্সটেনশন করা হয়েছে। ফিনিশিং পর্যায়ের কাজ চলছে। বরাদ্দ ছিল ৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকার মতো। প্রায় ৭০% বিল তারা নিয়েছে। আমাদের দৃষ্টিতে কাজ মোটামুটি ৮০% উপরে কাজ হয়েছে। ফিনিশিং কাজ চলছে এখন। ফিনিশিং করার পর আমরা ফাইনাল বিল দিবো। পিতলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একটা অভিযোগ দিয়েছেন ইউএনও মহোদয় বরাবর, সেই প্রেক্ষিতে আমরা ইউএনও মহোদয়সহ, সাইট ইঞ্জিনিয়ারসহ আমরা ভিজিট করি, ভিজিট করে যেটা পাই আসলে ওই রকম মেজর কোনো প্রবলেম আমরা পাই নাই।তিনি আরও বলেন, স্থানীয় লোকদের সাথে কথা বললাম, তাদের যে অভিযোগ ছিল সেটা হচ্ছে বেশ কিছু জায়গায় হেয়ার ক্র্যাক ছিল, এটা কোনো ফাউন্ডেশন দুর্বলতার কারণে নয়। আমরা সেখানে গিয়ে অবজার্ভ করেছি, তারা লোকাল বালি ব্যবহার করেছে এবং সিমেন্ট না ঢাকার কারণে কিছু সিমেন্ট হয়তোবা ডেট ফেল, কিছু সিমেন্ট ব্যবহার করেছিল। আমরা সেখানকার ইঞ্জিনিয়ারসহ কিছু সিদ্ধান্ত দিয়ে আসি, লোকাল বালি যেন ব্যবহার করা না হয় এবং এটা যেন জামালপুরের বালি দিয়ে প্লাস্টার করা হয়। আর যে প্লাস্টার খারাপ হয়েছে এবং যেটা হেয়ার ক্র্যাক হয়েছে, সেখানে যেন সম্পূর্ণ প্লাস্টার নতুন করে ঠিক করে দেয়।উল্লেখ্য, গেলো কয়দিন আগে দেশবাসী দেখলো রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ (যুদ্ধ) বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। শিশুদের সাথে আর কোনো দুর্ঘটনা সহ্য করার শক্তি এদেশের মানুষের মাঝে নেই। তবে যে দেশে প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি, সে দেশে শিশুরা নিরাপদ থাকবে এমনটা ভাবাও বোকামি। কারণ আরও একটি স্কুল ট্রাজেডি হওয়ার সমস্ত জোগাড় করে বসে আছেন কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরের পিতলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এস এন এন্টারপ্রাইজ। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাজটি তদারকি করছেন, তার চোখের সামনে এত নিম্নমানের কাজ হলেও দুই নম্বর বালু ব্যবহার ব্যতীত তিনি তেমন কোনো দুর্নীতিই দেখছেন না। এত গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে চোখের সামনে হওয়া দুর্নীতি তিনি যেহেতু দেখছেন না, তবে চোখের ডাক্তার দেখানো সময়ের দাবি। নাহলে ঝরে যাবে অনেক প্রাণ।এইচএ

Source: সময়ের কন্ঠস্বর

সম্পর্কিত সংবাদ
মাদারীপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ইজিবাইকের যাত্রী নিহত, আহত দুই
মাদারীপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ইজিবাইকের যাত্রী নিহত, আহত দুই

মাদারীপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ইজিবাইকের এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন।শনিবার (২০ Read more

ইরানি চার তেল কোম্পানি-ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্রিটেনের নিষেধাজ্ঞা
ইরানি চার তেল কোম্পানি-ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্রিটেনের নিষেধাজ্ঞা

ইউক্রেন ও ইসরায়েলে ‌‌অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির নেটওয়ার্কের অংশ হওয়ায় ইরানের এক তেল ব্যবসায়ী ও চার কোম্পানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। Read more

প্রসূতি মায়ের ইনজেকশন ভুল করে নবজাতকের শরীরে পুশের অভিযোগ
প্রসূতি মায়ের ইনজেকশন ভুল করে নবজাতকের শরীরে পুশের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে মর্ডান জেনারেল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মায়ের ইনজেকশন ভুল করে নবজাতকের শরীরে পুশ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।গতকাল রবিবার Read more

দীর্ঘ ১৭ বছর পর ঢাকার মাটিতে পা রাখলেন তারেক রহমান
দীর্ঘ ১৭ বছর পর ঢাকার মাটিতে পা রাখলেন তারেক রহমান

দীর্ঘ ১৭ বছর পর স্বদেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তাকে বহনকারী Read more

ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সে.মি. ওপরে
ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সে.মি. ওপরে

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিপাতে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৬টার Read more

আমরা নিরপেক্ষ নই ,    জনতার পক্ষে - অন্যায়ের বিপক্ষে ।    গণমাধ্যমের এ সংগ্রামে -    প্রকাশ্যে বলি ও লিখি ।   

NewsClub.in আমাদের ভারতীয় সহযোগী মাধ্যমটি দেখুন