উল্লাপাড়ায় বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্যের অপকর্মের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে । ভিডিওটি শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ফেসবুকে দেখা যায়। এবং মুহুর্তে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায় দেখা যায় উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক ও ২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য শরিফুল ইসলাম ও এক নারীকে একই গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। পাশে কিছু লোকজন হৈ চৈ করছে। পরে খোঁজ নিয়ে স্থানীয়দের কাছে জানা যায় , উক্ত ইউপি সদস্য শরিফুল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে একই ইউনিয়নের পার্শবর্তী ছোট গোঁজা গ্রামে অনৈতিক কাজের উদ্দেশ্যে এক নারীর ঘরে ঢোকে। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে কথিত নারী ও শরিফুল ইসলামকে ধরে নিয়ে এসে বাড়ির পাশে একটি গাছের সঙ্গে দুজনকেই বেঁধে রাখেন। খবর দেওয়া হয় সলঙ্গা থানা পুলিশকে। সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা উল্লাপাড়া উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা আসাদ বিন রাহত খলিল জানান, শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য শরিফুল ইসলাম ও অজ্ঞাত এক নারীর গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখার ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি দেখে তিনি সলঙ্গা থানা পুলিশের সাথে কথা বলেন। তিনি এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। পরে তিনি জানতে পেরেছেন তার পরিষদের পার্শবর্তী এলাকার ইউপি সদস্য স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় কিছু অর্থের বিনিয়ময়ে সামাজিকভাবে বিষয়টি মিমাংসা করেছেন। এই ইউপি প্রশাসক আরও জানান, যে ভাবেই সামাজিকভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হোক না কেন, তিনি খতিয়ে দেখে ইউনিয়ন পরিষদের বিধি মোতাবেক ২/১ দিনের মধ্যে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম জানান তাকে গাছের সাথে বেঁধে অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। নিজেকে নির্দোষী দাবি করে এ ঘটনার তিনি বিচার চেয়েছেন। সলঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা) মনোজ কুমার নন্দী জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কথিত শরিফুল ইসলামের ভিডিওটি দেখার পর সংশ্লিষ্ট ইউপি প্রশাসক ও স্থানীয় লোকজন তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। রাতেই তিনি তার পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে যান এবং সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য ও কথিত নারীকে বাঁধন মুক্ত করেন।তিনি বলেন, এখনও কেউ উক্ত শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেনি করলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর