চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামে এক কৃষকের ইজারাকৃত এক বিঘা জমির পটলের মাচা ট্রাক্টর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জমির মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে। এতে ওই কৃষকের প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বশির উদ্দিন সন্তোষপুর গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কৃষক বশির উদ্দিন গত পাঁচ বছর ধরে দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানাপাড়া এলাকার মৃত নুরুল ইসলাম খানের জমি প্রতি বছর ২০ হাজার টাকায় ইজারা নিয়ে চাষাবাদ করে আসছিলেন। সম্প্রতি নুরুল ইসলাম খানের মৃত্যুর পর তার চার ছেলে—মামুন খান, মিজানুর, মোস্তাক ও রাসেলের মধ্যে জমি বণ্টন নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এই বিরোধের জেরে গত শুক্রবার মিজানুর ও মোস্তাক ট্রাক্টর দিয়ে জোরপূর্বক বশির উদ্দিনের এক বিঘা জমির পটলের মাচা মাটির সাথে মিশিয়ে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।ভুক্তভোগী কৃষক বশির উদ্দিন আক্ষেপ করে বলেন, “আমি গরিব মানুষ। অনেক কষ্ট করে এই জমি ইজারা নিয়ে চাষ করি। সম্প্রতি তারা আমাকে জমি ছেড়ে দিতে বলে। আমি অনুরোধ করেছিলাম, পটল ধরা শুরু হয়েছে, কিছুদিন সময় দিলে ফসল তুলে জমি বুঝিয়ে দেব। কিন্তু তারা আমার কথা না শুনে ট্রাক্টর দিয়ে সব গুঁড়িয়ে দিয়েছে।”কৃষকের ভাই মোতালেব হোসেন বলেন, “চাষাবাদই আমাদের একমাত্র ভরসা। মালিকপক্ষের পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে আমাদের এত বড় ক্ষতি হলো। আমরা এর ক্ষতিপূরণ ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”এ বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
