মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহার করে একটি ঢালাই কারখানা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। এতে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারা গ্যাস সংকটে ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে জানা গেছে।সরেজমিনে উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়ন এর কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, একটি টিনশেড ঘরের ভেতরে গড়ে তোলা হয়েছে কারখানাটি। প্লাস্টিকের পাইপের মাধ্যমে গ্যাসের অবৈধ সংযোগ নিয়ে সেখানে চুল্লিতে লোহা গলানোর কাজ চলছে। ঘরের ভেতরে পোড়া বালু, চুল্লি ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি দেখা যায়।কারখানায় কর্মরত ইউছুফ নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে জানান, তাদের মালিক পূর্বে গ্যাস সংযোগ বৈধ করার জন্য টাকা জমা দিয়েছেন, তবে এখনো তা অনুমোদন পায়নি।স্থানীয়দের অভিযোগ, গজারিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হলেও অজ্ঞাত কারণে এই কারখানার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে, তেমনি গ্যাসের চাপ কমে সাধারণ গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়ছে।কয়েকজন এলাকাবাসী জানান , কয়েক বছর ধরে গোপনে এই কারখানার কার্যক্রম চলছে। মাঝেমধ্যে ট্রাক আসা-যাওয়া করে, আর চুল্লি চালু থাকলে তীব্র শব্দ ও তাপ অনুভব করা যায়। এলাকায় বৈধ গ্যাস সংযোগই নেই। সে হিসেবে কারখানাটি অবৈধভাবেই চলছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।কারখানার জন্য ব্যবহৃত জায়গার মালিক শরিফ মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সুরজিত কুমার সাহা বলেন, অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানায়, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রমাণ পাওয়া গেলে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
