পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান বলেছেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক মেধার বিকাশ ঘটায় এবং মনকে চাঙ্গা রাখে। তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম।মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে ভাঙ্গুড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে নববর্ষ উপলক্ষে প্রীতি ভলিবল ম্যাচ শেষে সমাপনীর বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রীতি ভলিবল ম্যাচে উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়ন ভলিবল একাদশ ও পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন ভলিবল একাদশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। প্রীতি ভলিবল খেলা শেষে উভয় দলের মধ্যে ট্রফি ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন কর্মকর্তারা।এসময় ভাঙ্গুড়া উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শামীম হাসান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক, ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, ভাঙ্গুড়া উপজেলার মমতাজ মোস্তফা আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাকিম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে মঙ্গলবার সকালে ভাঙ্গুড়া উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বের করা হয়। রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও বৈশাখী সাজে সজ্জিত শোভাযাত্রাটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাওলানা আলী আছগার। শোভাযাত্রায় ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান, ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম, ভাঙ্গুড়া উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শামীম হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন জাহান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মহির উদ্দিন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন, যা পুরো এলাকাজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। শোভাযাত্রা শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী পান্তা-ইলিশ পরিবেশন করা হয়।দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খেলাধুলা এবং পান্তা ভাত খাওয়ার আয়োজন। নববর্ষের সকালে পান্তা ভাত, ইলিশ ও ভর্তার সমাহারে আয়োজিত এ পর্বে অংশগ্রহণকারীরা বাঙালির চিরায়ত খাদ্যসংস্কৃতির স্বাদ উপভোগ করেন, যা অনুষ্ঠানে যোগ করে বাড়তি মাত্রা।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
