লেবানন উপকূলে সব ধরনের নৌযান চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইসরায়েল সীমান্ত সংলগ্ন রাস আল-নাকুরা থেকে শুরু করে দক্ষিণের টায়ার (Tyre) শহরের উপকূল পর্যন্ত প্রায় ২০ নটিক্যাল মাইল এলাকাকে ‘নো-গো জোন’ বা নিষিদ্ধ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় কেবল লেবাননের নৌবাহিনী নয়, বরং সাধারণ মৎস্যজীবীদের নৌকাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উপকূলীয় শহর ও গ্রামগুলোর একটি বড় অংশ তাদের জীবিকার জন্য সমুদ্রের ওপর নির্ভরশীল। স্থানীয় জেলেরা প্রতিদিন সমুদ্রে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি বা রপ্তানি করে জীবন নির্বাহ করেন। ইসরায়েলের এই নতুন পদক্ষেপের ফলে হাজার হাজার মৎস্যজীবী ও তাঁদের পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, গতকাল টায়ার উপকূলের অদূরে ভূমধ্যসাগরে একটি ইসরায়েলি যুদ্ধজাহাজে হিজবুল্লাহর ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই কঠোর সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। ইসরায়েল এই অঞ্চলের সমুদ্রসীমায় তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতে চাইছে।অঞ্চলটিতে পরিস্থিতি ক্রমাগত জটিল হয়ে উঠছে। একদিকে যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার গুঞ্জন শোনা গেলেও বাস্তবে উত্তেজনা কমার কোনো লক্ষণ নেই। ইসরায়েল স্থল ও আকাশপথে তাদের অভিযান অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করায় সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।টায়ার শহরসহ দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জনপদগুলোতে বর্তমানে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
