যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth চারজন আর্মি কর্মকর্তাকে এক-তারকা জেনারেল পদে পদোন্নতির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ায় পেন্টাগনে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বাদ পড়া কর্মকর্তাদের মধ্যে দুইজন কৃষ্ণাঙ্গ এবং দুইজন নারী হওয়ায় তার সিদ্ধান্তকে ঘিরে বর্ণ ও লিঙ্গ বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে।প্রায় তিন ডজন কর্মকর্তার এই তালিকা থেকে নির্দিষ্ট চারজনকে সরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত অস্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেছেন সামরিক কর্মকর্তারা। জানা গেছে, কয়েক মাস ধরেই তিনি আর্মি নেতৃত্বের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিলেন এসব কর্মকর্তাকে বাদ দিতে। তবে আর্মি সেক্রেটারি ড্যানিয়েল ড্রিসকল তাদের দীর্ঘদিনের সাফল্য ও দক্ষতার কথা উল্লেখ করে এতে আপত্তি জানান।শেষ পর্যন্ত চলতি মাসে একক সিদ্ধান্তে তাদের নাম বাদ দেন হেগসেথ। তবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আইনগত ক্ষমতা তার রয়েছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমানে তালিকাটি হোয়াইট হাউস পর্যালোচনা করছে, এরপর তা সিনেটে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।সমালোচকদের মতে, হেগসেথের এই পদক্ষেপ সামরিক বাহিনীর প্রমোশন প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক ও পক্ষপাতদুষ্ট করে তুলছে, যা দীর্ঘদিন ধরে মেধা ও নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে আসছিল।অন্যদিকে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, প্রমোশন শুধুমাত্র যোগ্যতার ভিত্তিতেই দেওয়া হচ্ছে এবং প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ।প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময় সামরিক বাহিনীতে বৈচিত্র্য বাড়ানোর নীতির বিপরীতে অবস্থান নিয়ে হেগসেথ একাধিক পরিবর্তন আনছেন। ইতোমধ্যে তিনি বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে সরিয়ে দিয়েছেন।বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে বিভাজন আরও গভীর হতে পারে এবং প্রমোশন প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।এফএস
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
