দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন লালমনিহাটের ঐতিহ্যবাহী সিন্দুর মতি মেলা ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত গড়ে উঠেছে, যা দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রেরণা জোগায়।শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের সিন্দুরমতি দিঘির পাড়ে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী সিন্দুরমতি মেলা উদ্বোধন শেষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ভেদাভেদ ভুলে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায়ই দেশ আরও এগিয়ে যাবে।”মন্ত্রী বলেন, একটি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।ত্রাণমন্ত্রী আরো বলেন, অতীতে দীর্ঘ সময়েও সিন্দুরমতি এলাকায় তেমন উন্নয়ন হয়নি। বর্তমান সরকার এই তীর্থস্থানকে কেন্দ্র করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নিরাপত্তা জোরদার এবং দর্শনার্থীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।তিনি জানান, সিন্দুরমতির সরকারি জমি দখলমুক্ত করা হবে এবং মন্দির ও আশপাশের এলাকার সৌন্দর্যবর্ধনসহ ধর্মীয় পরিবেশ উন্নয়নে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।উল্লেখ্য, প্রতি বছর চৈত্র মাসের নবম তিথিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সিন্দুরমতি দিঘিতে পুণ্যস্নান করেন। এ বছরও সেই উপলক্ষে বিশাল মেলার আয়োজন করা হয়েছে। কুড়িগ্রামের রাজাহাট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত এই দিঘিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত মেলায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লক্ষাধিক মানুষের সমাগমে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।সভায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম রকিব হায়দার, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাসসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এফএস
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
