মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়বে। এটা কঠিন সময়, আমাদের স্বীকারই করতে হবে। একে তো অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থায় আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। সঙ্গে সঙ্গে এই যে যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে, সেটার কারণে অর্থনীতির উপর বড় চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং এই যুদ্ধ যদি চলতে থাকে চাপটা আরও বাড়তে থাকবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রবিবার (২২ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর মেহেদীবাগে নিজ বাসভবনে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কারে তিনি এসব কথা বলেন।অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয়, বিশেষ করে জ্বালানি নিরাপত্তায় খুব সজাগ আছি। ইতোমধ্যে আমাদের জ্বালানি যে প্রকিউরমেন্ট—ভালো ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এখনো অব্যাহত আছে। যাতে জ্বালানির অভাবে মিল-কারখানা, পাওয়ার সেক্টর বাধাগ্রস্ত না হয়। সেটা এখনো মোটামুটি স্থিতিশীল আছে।সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এখনো পর্যন্ত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের চাপ সামাল দিতে চেষ্টা করছে সরকার। তবে ভবিষ্যতের চাপ সামলাতে জনগণকেও সংযমী হতে হবে।তিনি বলেন, আমরা এ ধারা অব্যাহত রাখার জন্য চেষ্টা করছি। যুদ্ধ যদি বেশিদিন অব্যাহত থাকে, চাপটা বাড়তে থাকবে। সেই চাপটা আলটিমেটলি জনগণের উপর আসবে। যেভাবে বিশ্বব্যাপী আসছে, সেটা বাংলাদেশেও আসবে। এটার জন্য জনগণের সমর্থন, সহযোগিতা, সহানুভূতি লাগবে, সংযম লাগবে। আমির খসরু বলেন, সবাই মিলে তো সমাধান করতে হবে। সরকার সরকারের পক্ষ থেকে সবকিছু করছে। আমরা জনগণের সহযোগিতা ও সহানুভূতি চাই এবং সংযমও আমাদের মধ্যে থাকতে হবে। সংযমের মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে।যুদ্ধ তো আমাদের হাতে নাই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যু্দ্ধ হচ্ছে অন্য জায়গায়। এটার প্রতিফলন ঘটছে বাংলাদেশে। সবদেশে কম-বেশি। বাংলাদেশে বেশি কারণ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমাদের জ্বালানির মূল সোর্সটা। আমাদের উপর চাপটা অনেক বেশি।অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা জ্বালানিতেও চেষ্টা করছি। অলটারনেটিভ অনেকগুলো ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। বিভিন্ন দেশ থেকে আমরা জ্বালানি আনার চেষ্টা করেছি। কিছু কিছু শুরুও হয়েছে। এই পর্যন্ত একটা ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে আমরা মোটামুটি ভালো জায়গায় আছি।এমআর-২
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
