প্রায় দুই শতাব্দীকাল নিরবিচ্ছিন্ন ঈদের জমায়েতের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠটি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ আজ গোটা জাতির কাছে রীতিমতো কিংবদন্তীতে পরিণত হয়েছে। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে এর খ্যাতি এবং গল্প-গাথা ছড়িয়েছে গত শতাব্দীতেই। এ মাঠের বিশাল জমায়েতে লাখ লাখ মুসুল্লির কাতারে শামিল হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করা যেনো একজন ধার্মিক মুসলমানের ভাগ্য। কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্বপার্শ্বে বিদ্যমান রেললাইন অতিক্রম করে অল্প দূরে অবস্থিত ঐতিহাসিক এই মাঠ। সবুজ গাছপালা আর ঘাসের কার্পেটে মোড়ানো এক গ্রামীণ আবহ ও আমেজ ছড়িয়ে আছে এর চারপাশে। বর্তমানে প্রায় বিলীয়মান নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত ৭ একর জায়গায় মাঠটি ছড়িয়ে আছে। দূরদূরান্ত থেকে আগত ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিগণ শহর বা শহরতলীর পাড়ামহল্লা থেকে মধ্য রাত বা শেষ রাতে মাঠে পৌঁছে নামাজের স্থান করে নেয়। দেশের বৃহত্তম ঈদের জমায়েত হিসেবে এ মাঠ এখনও সরকারিভাবে নির্বাচিত এবং স্বীকৃত। এখানে কমবেশি ৫ লাখ মানুষ এক সঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারে বলে ধারণা করা হয়।বলাবাহুল্য, বর্তমানে দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ ময়দানকে আয়তনের দিক থেকে বেশ বড় বললেও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ার ঐতিহ্য এবং অতীত ইতিহাস তাৎপর্যপূর্ণ। উল্লেখ করা যায়, শোলাকিয়া ঈদগাহর পেছনের ইতিহাস প্রায় ২০০ শ’ বছরের, আর গোর-এ-শহীদের যাত্রা শুরু হয় মাত্র ১০ বছর। ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ময়দান উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও সর্ববৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। শোলাকিয়া ঈদগাহের উদ্ভব কাহিনী কম ঐতিহাসিক নয়। শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের সূচনার নেপথ্যকথা অনেকেরই জানা নেই। লাখো মানুষ মাঠের নাম জানলেও জানে না, কিভাবে গড়ে উঠেছে এই ঈদগাহ ময়দান। মূলত শতবর্ষাধিক বছর আগে এই মাঠে সোয়া লাখ লোকের জামাত হওয়ার কারণে মাঠ ও সংশ্লিষ্ট এলাকার নাম হয়েছে সোয়ালাখিয়া যা বর্তমানে শোলাকিয়া নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে।ঈদগাহ ময়দানটি কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ ময়দান। একসময় এ মাঠে নামাজ পড়তেন জমিদারেরা। এরপর ধাপে ধাপে সব শ্রেণি–পেশার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি আসতে শুরু করেন। দেশের সর্ববৃহৎ এই জামাতে অংশগ্রহণ করতে সকাল থেকেই মুসল্লিদের ঢল নামে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্ব প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত শোলাকিয়া ঈদগাহের মাঠে। এখন প্রতিবছর ঈদের দিন সকালে নামাজ পড়তে আসা দেশ-বিদেশের কয়েক লাখ মুসল্লির ভিড়ে জনসমুদ্রে পরিণত হয় শোলাকিয়া ময়দান। আগত মুসল্লিদের অনেকে মাঠে জায়গা না পেয়ে পার্শ্ববর্তী রাস্তা, বাড়ির ছাদ, নদীর পাড় ও শোলাকিয়া সেতুতে জায়গা করে নিয়ে জামাতের জন্য দাঁড়িয়ে পড়েন।জানা যায়, ধর্ম প্রচারের জন্য এ দেশে আসা সৈয়দ আহাম্মদ (রহ.) নামের এক বুজুর্গ ১৮২৮ সালে শোলাকিয়ায় ঈদগাহের প্রথম জনমুখর জামাতে ইমামের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ঈশা খাঁর বংশধর স্থানীয় হয়বতনগর দেওয়ান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেওয়ানবাড়িতে থাকতেন। তখন থেকেই এ মাঠের প্রচলন ও প্রসার ঘটে। দেওয়ান মান্নান দাদ ছিলেন হয়বত খানের বংশধর। হয়বত খান ছিলেন বীর ঈশা খাঁর ষষ্ঠ অধস্তন পুরুষ। যে কারণে শুরু থেকে এ মাঠের সঙ্গে জমিদারির একটি ঐতিহ্য রয়েছে। ঈশা খাঁর ষষ্ঠ বংশধর দেওয়ান হয়বত খান কিশোরগঞ্জে জমিদারি প্রতিষ্ঠার পরপরই এই ঈদগাহ প্রতিষ্ঠা করেন। এ মাঠের জন্য ১৯৫০ সালে দেওয়ান মান্নান দাদ খান সাড়ে তিন একর জমি ওয়াক্ফ করে দেন। পরবর্তী সময়ে জমির পরিধি আরো বৃদ্ধি পায়। দিন দিন এই মাঠের মুসল্লিদের সমাগম বাড়তে থাকে এবং মাঠের জায়গা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। তাই হয়বতনগরের জমিদার উক্ত মাঠ সংলগ্ন তার নিজস্ব সম্পত্তি ঈদগাহ মাঠের জন্য ওয়াকফ করেন। ব্যক্তিগত দান, প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠনিক ও সরকারি সহযোগিতায় এই ঈদগাহ মাঠের বিশালতা ক্রমেই বাড়ছে। সেই সঙ্গে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের সুনাম ও সুখ্যাতি। ঐতিহ্যবাহী এই মাঠে অনেক খ্যাতিসম্পন্ন আলেমগণ ইমামতি করেছেন নানা সময়ে। কালের স্রোতে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানটি পরিণত হয়ে উঠেছে একটি ঐতিহাসিক স্থানে। এ ময়দানের বিশাল জামাত গৌরবান্বিত ও ঐতিহ্যবাহী করেছে কিশোরগঞ্জকে।। নামাজ শুরুর আগে শর্টগানের ফাঁকা গুলির শব্দে সবাইকে নামাজের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সঙ্কেত দেওয়া হয়। বর্তমানে শোলাকিয়া ময়দানে ঈদ জামাতে ইমামতির দায়িত্বে আছেন কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের বড় বাজার মসজিদের খতিব মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।স্থানীয় কয়েকজন প্রবীণ জানান, ঈদের দিন জমিদারি ঐতিহ্যে ঘোড়ার গাড়িতে স্টেজ বানিয়ে তাঁর ওপর সিংহাসন বসিয়ে বাহিনী নিয়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে শোলাকিয়া ঈদগাহে আসতেন জমিদারেরা। আসার পথে প্রজাদের উদ্দেশে বিভিন্ন ধরনের মুদ্রা ছিটাতেন। এ ছাড়া ইটনা হাওরের জমিদারসহ বিভিন্ন এলাকার জমিদারেরা নানা ধরনের নৌকায় করে এ ঈদগাহে নামাজ পড়তে আসতেন। জমিদারদের এসব তুলকালাম কাণ্ড আর স্বয়ং জমিদারদের সঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে দূরদূরান্ত থেকে অসংখ্য লোকজন শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করতে আসতেন। ঈদের আনন্দের পাশাপাশি আগত মুসল্লিদের জন্য এটা ছিল বাড়তি আকর্ষণ। এভাবেই এ মাঠের ঐতিহ্য গড়ে ওঠে।আজ শনিবার (২১ মার্চ) ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে ১৯৯ তম পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত। ঈদ জামাতকে ঘিরে এবার আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা। নিরাপত্তায় কাজ করবে ১১০০ পুলিশ সদস্য। একই সঙ্গে থাকবে র‍্যাবের ৬টি টিম, ৫ প্লাটুন বিজিবি, ৪ প্লাটুন সেনাবাহিনী ও ৫ প্লাটুন আনসার।সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠিত এ ঈদের জামাতে ইমামতি করবেন কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের বড় বাজার মসজিদের খতিব মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। বিকল্প ইমাম হিসেবে থাকবেন হয়বতনগর এ. ইউ. কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা জুবায়ের ইবনে আব্দুল হাই।এদিকে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও র‍্যাবের কর্মকর্তারা দফায় দফায় পরিদর্শন করেছেন শোলাকিয়া ময়দান। ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে শোলাকিয়া ময়দানকে। ঈদের দিন শোলাকিয়ায় বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ, আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টি করা হবে। স্থানীয় প্রশাসনসহ সূত্রে জানা গেছে, শোলাকিয়ায় এবার সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্যসহ মোট ১১০০ জন পুলিশ, র‍্যাবের ৬টি টিম (প্রতি টিমে ৬ জন করে), ৫ প্লাটুন বিজিবি, ৪ প্লাটুন সেনাবাহিনী ও ৫ প্লাটুন আনসার সদস্য কাজ করবে। এছাড়াও নিরাপত্তায় মাঠে ৪টি ওয়াচটাওয়ার করা হয়েছে। এরমধ্যে ২টি পুলিশ ও ২টি র‍্যাব ব্যবহার করবে। মাঠসহ আশপাশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ৬৪টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। মুসল্লিদের যাতায়াত সুবিধার্থে ঈদের দিন কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ ও ভৈরব-কিশোরগঞ্জ রুটে ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে।ঈদের দিন মাঠের বিভিন্ন প্রান্তে থাকবে ১৩ টি আর্চওয়ে। থাকবে ড্রোন ক্যামেরাও। ঢাকা থেকে আসবে বোম ডিসপোজাল টিম। ঈদের দিন এখানে ফায়ার সার্ভিস কাজ করবে। ছয়টি অ্যাম্বুলেন্সসহ মেডিকেল টিম থাকবে। ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। ঈদগাহ পরিচালনা কমিটি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তার স্বার্থে ঈদেরদিন মুসল্লিদেরকে শুধুমাত্র জায়নামাজ নিয়ে মাঠে আসার অনুরোধ করেছেন। এছাড়া ২৮টি প্রবেশ পথে হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর নিয়ে নিরাপত্তা কর্মীরা আগত মুসল্লিদের দেহ তল্লাশি করে ঈদগাহের ঢোকার ব্যবস্থা করবে। ঈদের আগের দিন থেকে শহরে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হবে। এর পাশাপাশি পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা ও র‍্যাব সদস্যরা বিশেষ নজরদারি করবেন।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরের নামাজ চলাকালে শোলাকিয়া ঈদগাহের কাছে পুলিশের একটি নিরাপত্তা চৌকিতে জঙ্গিদের অতর্কিত হামলায় দুই পুলিশ সদস্যসহ নিহত হন চারজন। সেই থেকে ঈদের জামাতকে ঘিরে নজিরবিহীন কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয় শোলাকিয়া ও আশাপাশের এলাকা। চার স্তরের নিরাপত্তাবেষ্টনী পার হয়ে মুসল্লিদের ঢুকতে হয় ঈদগাহ মাঠে। প্রতিটি মুসল্লির দেহ তল্লাশি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ময়দান উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও সর্ববৃহৎ ঈদগাহ। শোলাকিয়া ঈদগাহের উদ্ভব কাহিনি কম ঐতিহাসিক নয়। শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের সূচনার নেপথ্যকথা অনেকেরই জানা নেই। লাখো মানুষ মাঠের নাম জানলেও জানে না, কিভাবে গড়ে উঠেছে এই ঈদগাহ ময়দান। মূলত শতবর্ষাধিক বছর আগে এই মাঠে সোয়া লাখ লোকের জামাত হওয়ার কারণে মাঠ ও সংশ্লিষ্ট এলাকার নাম হয়েছে সোয়ালাখিয়া যা বর্তমানে শোলাকিয়া নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে।প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরের নামাজ চলাকালে শোলাকিয়া ঈদগাহের কাছে পুলিশের একটি নিরাপত্তা চৌকিতে জঙ্গিদের অতর্কিত হামলায় দুই পুলিশ সদস্যসহ নিহত হন চারজন। সেই থেকে ঈদ জামাতে বাড়তি নিরাপত্তার ওপর জোর দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।জনশ্রুতি রয়েছে, ১৮২৮ সালে এই মাঠে ঈদের জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি এক সাথে নামাজ আদায় করেছিলেন। সেই থেকে এ মাঠের নাম হয় ‘সোয়া লাখিয়া’। যা এখন শোলাকিয়া নামেই পরিচিত। তবে শোলাকিয়া মাঠের ঐতিহ্য ও সুনাম অনুযায়ী এ মাঠের উন্নয়ন হয়নি বলে মনে করেন স্থানীয় লোকজন। তাদের দাবি, ঐতিহাসিক এই ঈদ জামাতকে যেন দেওয়া হয় ইউনেস্কো স্বীকৃতি।

Source: সময়ের কন্ঠস্বর

সম্পর্কিত সংবাদ
যশোরে প্রাইভেটকার ভাড়া নিয়ে বিরোধ, ককটেল হামলায় যুবক আহত
যশোরে প্রাইভেটকার ভাড়া নিয়ে বিরোধ, ককটেল হামলায় যুবক আহত

যশোর শহরের রেলগেটে ককটেল হামলায় রবিউল ইসলাম ওরফে রনি (২৬) নামে একজন আহত হয়েছেন। শনিবার বিকেলে সেখানকার প্রাইভেটকার স্ট্যান্ড সংলগ্ন Read more

ইসরায়েলি হামলায় নিহত আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান ও ২ জেনারেল
ইসরায়েলি হামলায় নিহত আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান ও ২ জেনারেল

ইসরায়েলি নারকীয় আক্রমণে নিহত হয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলিশনারি গার্ড সংস্থার গোয়েন্দা প্রধান মোহাম্মদ কাজেমীসহ আরও দুই কর্মকর্তা।এদিকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছে Read more

নরসিংদীতে কিশোরকে ঘরে আটকে রেখে নির্যাতনের পর হত্যা
নরসিংদীতে কিশোরকে ঘরে আটকে রেখে নির্যাতনের পর হত্যা

নরসিংদীতে এক কিশোরকে ঘরে আটকে রেখে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে সদর উপজেলার শিলমান্দী ইউনিয়নের বাগহাটা Read more

জামালপুরে অটোরিকশার ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত
জামালপুরে অটোরিকশার ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় রাস্তা পারাপারের সময় ব্যাটারি-চালিত অটোরিকশার ধাক্কায় রাফি (৭) নামের এক শিশু শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। রবিবার (২৫ মে) Read more

জীবননগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
জীবননগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের আবাসন প্রকল্পে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মিতা খাতুন (১২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (০৯ মে) Read more

আমরা নিরপেক্ষ নই ,    জনতার পক্ষে - অন্যায়ের বিপক্ষে ।    গণমাধ্যমের এ সংগ্রামে -    প্রকাশ্যে বলি ও লিখি ।   

NewsClub.in আমাদের ভারতীয় সহযোগী মাধ্যমটি দেখুন