আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রবেশদ্বার পাটুরিয়া–দৌলতদিয়া ও আরিচা–কাজিরহাট নৌরুটে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকেই যাত্রী ও যানবাহনের বাড়তি চাপ লক্ষ্য করা গেছে। তবে চাপ থাকলেও পারাপারে এখন পর্যন্ত কোনো ভোগান্তি নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এই দুই নৌরুটে নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ করছে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)।বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা গেছে, এবারের ঈদযাত্রায় পাটুরিয়া–দৌলতদিয়া নৌরুটে ১৭টি এবং আরিচা–কাজিরহাট রুটে ৫টি ফেরি চলাচল করছে। এছাড়া সাধারণ যাত্রী পারাপারে সহায়তা দিতে ৩৩টি লঞ্চ চালু রাখা হয়েছে।মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মহরম আলী জানিয়েছেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে দুই নৌরুটে পুলিশ সদস্যসহ মোট ৪১৫ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। ঘাট এলাকায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা গণমাধ্যমকে জানান, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে ঘাট এলাকা ও মহাসড়কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তদারকি জোরদার করা হয়েছে।বিআইডব্লিউটিসি-এর ডিিজিএম আব্দুস সালাম বলেন, “বাড়তি চাপ সামাল দিতে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছি। আশা করছি, যাত্রীরা নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।”এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
