হ্রদ পাহাড়ের এক অপূর্ব সৌন্দর্যের আধার পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটি। আর এজন্য রাঙ্গামাটিকে বাংলাদেশের সুইজারল্যান্ডও বলা হয়। ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা আলাদা সৌন্দর্যে সকলকে মোহিত করে। তবে, শীতকালে এর সৌন্দর্য ভ্রমণ পিপাসুদের হাতছানি দিয়ে ডাকে। আর এ কারণেই শীতকালে পর্যটকের পদচারনায় মুখরিত হয় রাঙ্গামাটির বিভিন্ন স্পটগুলো। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাঙামাটির বিভিন্ন পর্যটনের স্পটগুলো ঘুরে দেখা যায় পর্যটকের উপস্থিতি বেশ লক্ষণীয়। কেউ হ্রদের তীরে দাড়িয়ে ছবি তুলছে, কেউ দূর পাহাড়কে ক্যামেরা বন্দি করার চেষ্টা করছে।এ বিষয়ে কথা হয় যশোর থেকে বেড়াতে আসা শিক্ষার্থী রিয়াদের সাথে, তিনি জানান এই সময়টা আসলে রাঙ্গামাটিতে বেড়ানোর জন্য বেশী উপযুক্ত বলে মনে হয়। এসময় হ্রদের পানি দেখতে দারুন লাগে। তাই আমি এসময়টা বেছে নিয়েছি। পর্যটক সামিরা জাহান জানান, এই সময়ে সুনীল আকাশ আর সাদা মেঘ দেখা যায়, যা সত্যিকার অর্থেই মনকে প্রফুল্ল করে। বিশেষ করে, পাহাড়ের গায়ে সাদা তুলো মেঘ, এক কথায় অসাধারণ।এ বিষয়ে বন কুসুম বড়ুয়া বাপ্পী, স্বত্তাধিকারী (রাঙ্গামাটি ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস, ময়ূরাক্ষী মিনি হাউস বোট) তিনি বলেন, শীতে রাঙ্গামাটির আবহাওয়া ঠান্ডা ও শুষ্ক থাকে। গরম বা অতিরিক্ত আর্দ্রতা না থাকায় পাহাড়, লেক আর ঝর্ণা ঘোরা অনেক বেশি আরামদায়ক হয়। আর শীতে আকাশ থাকে পরিষ্কার, ফলে কাপ্তাই লেক নীল ও শান্ত দেখায়,পাহাড় সবুজ আরও উজ্জ্বল দেখায়। বর্ষার ঢেউ বা ঝড় না থাকায় কাপ্তাই লেকে নৌভ্রমণ নিরাপদ ও উপভোগ্য হয়। শীতকালে রাঙ্গামাটি মানেই আরামদায়ক ভ্রমণ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নিরাপদ নৌভ্রমণ আর শান্ত সময় কাটানোর এক দারুণ সুযোগ।রাঙ্গামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা সময়ের কন্ঠস্বরকে বলেন, এই সময় আবহাওয়া খুবই ভালো থাকে, ঝড় বৃষ্টির আশঙ্কা থাকে না সেজন্য পর্যটকরা এই সময়টাকে রাঙামাটি দেখার জন্য বা বেড়াতে আসার জন্য বেছে নেয়। এখন এ বছরের সবচেয়ে বেশি পর্যটক রাঙ্গামাটিতে অবস্থান করছে, আমাদের ৮০ শতাংশ রুম বুকিং রয়েছে। জানুয়ারিতে পর্যটক আরো বাড়বে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
