সিলেটের রেলওয়েতে টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে অভিযান পরিচালনা করে ২০ জন যাত্রীকে জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকাল থেকে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেনের যাত্রীদের টিকিট যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়। অভিযানে যাত্রীর নামের অমিল ও জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে না থাকায় দুপুর পর্যন্ত অন্তত ২০ জন যাত্রীকে জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় প্রতিজনকে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর আগে আজ শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান করেন জৈন্তাপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলি রানী দেব ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিহাব সারোয়ার অভি। এ সময় সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মুহাম্মদ নুরুল ইসলামসহ রেল কর্মকর্তা, র্যাব, রেলওয়ে পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিহাব সারোয়ার অভি জানান, টিকিটে উল্লেখিত নামের সঙ্গে যাত্রীর নামের অমিল ও জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে না থাকায় দুপুর পর্যন্ত অন্তত ২০ জন যাত্রীকে জরিমানা করা হয়েছে। প্রতিজনকে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, সিলেট রেলস্টেশনে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি ঢাকা—সিলেট মহাসড়কে বাসযাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়ে যাওয়ায় ট্রেনের টিকিটের চাহিদা আরও বেড়ে যায়। এই সুযোগে টিকিট কালোবাজারিদের দৌরাত্ম্য আরও বেড়ে যায়। যাত্রীদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই অনলাইন টিকিট শেষ হয়ে যায়। কিন্তু পরে সেটি দ্বিগুণ দামে কালোবাজারে পাওয়া যায়। এই অনিয়ম ও টিকিট কালোবাজারিদের ঠেকাতে মাঠে নামেন সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। কয়েক দফায় সিলেট রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর ‘টিকিট যার, ভ্রমণ তা’ স্লোগানকে বাস্তবায়ন করতে ট্রেনে চলাচল করতে জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেই আলোকে আজ শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে এই কার্যক্রম।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
