দীর্ঘদিন ধরে কমিটিবিহীন থাকার পর অবশেষে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাতে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট এই দু’টি বৃহৎ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।উপজেলা বিএনপির কমিটিতে আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাসকে সভাপতি ও নুরুজ্জামান খসরুকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। অন্যদিকে পৌর বিএনপির কমিটিতে রবিউল হক রিপনকে সভাপতি এবং মো. হাসিবুল হাসান হাসিবকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত এই কমিটি দু’টির অনুমোদন দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা ও সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন।ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিগুলোতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে স্থান দেওয়া হয়েছে অভিজ্ঞ ও নতুন নেতৃত্বকে। উপজেলা বিএনপির কমিটিতে একজনকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, ১১ জনকে সহ-সভাপতি, একজনকে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ৩ জনকে যুগ্ম-সম্পাদক, একজনকে সাংগঠনিক সম্পাদক, বিভিন্ন জনকে সম্পাদকীয় পদ ও ২৮ জনকে নির্বাহী সদস্য করা হয়।অপরদিকে সভাপতি, সম্পাদক ছাড়াও পৌরসভা বিএনপির কমিটিতে একজনকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, ৭ জনকে সহ-সভাপতি, ৩ জনকে যুগ্ম-সম্পাদক, একজনকে সাংগঠনিক সম্পাদক, বিভিন্ন জনকে সম্পাদকীয় পদ ও নির্বাহী সদস্য করা হয়।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৬ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে আলফাডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই কমিটিতে আব্দুল মান্নান আব্বাসকে আহ্বায়ক ও মো. নূর জামান খসরুকে সদস্য সচিব করে উপজেলা বিএনপির ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। পৌর কমিটিতে রবিউল হক রিপনকে আহ্বায়ক ও মো. খোসবুর রহমান খোকনকে সদস্য সচিব করা হয়েছিল।তবে কমিটি ঘোষণার মাত্র দুই দিনের মাথায় ‘নানা অনিয়ম’ এর অভিযোগ এনে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত অপর এক চিঠির মাধ্যমে কমিটি দুটি স্থগিত করা হয়। এরপর থেকেই আলফাডাঙ্গায় বিএনপির কোনো কমিটি ছিল না। নবগঠিত আলফাডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপির কমিটির সকল সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় এবং জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।এদিকে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রত্যাশা করছেন, আলফাডাঙ্গায় বিএনপির এই নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং দলকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এসএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
