চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় জমিজমা সক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে দোকানঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তি ও নিজের পরিবারের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী রহনপুর ইউনিয়নের কাজীগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মমিনুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে সালিম সওদাগর,নাহিদ সওদাগর,আব্দুল হালিম ও তার ভাড়াটিয়া সহযোগীরা বিগত ১৯ অক্টোবর দিবাগত রাতে একই উপজেলার তিনপুকুর নামক স্থানে থাকা তাদের মুদি দোকানে হামলা চালিয়ে ফ্রিজ, টিভি, চেয়ার-টেবিলসহ প্রায় ৭ লাখ টাকা মূল্যবান সম্পদ লুট করে নিয়ে গেছে।মমিনুল অভিযোগ করেন, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় উল্টো তাদের ভাই-বোনদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির মামলা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার বরাবর এবং গোমস্তাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু অভিযোগ করার পর পুলিশ তাদের সহায়তা না করে বরং ভয়ভীতি ও গালিগালাজের মাধ্যমে হয়রানি করছে বলে দাবি করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আইনি সহযোগিতার জন্য থানায় অভিযোগ করেছি। কিন্তু কোনো সহায়তা পাইনি। বরং সালিম সওদাগরের পক্ষ নিয়ে পুলিশ পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। বর্তমানে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সালিম সওদাগর সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘তারা নিজেরাই দোকানের মালামাল সরিয়ে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে আমাদের সঙ্গে বিরোধ চলছে, যা আদালতে বিচারাধীন। এখন সন্ত্রাসী দিয়ে আমাদের জমি দখলের পরিকল্পনা করছে এবং একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে।’এ প্রসঙ্গে গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওদুদ আলম বলেন, ‘দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এসআই আনিসুর রহমানকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। পুলিশের বিরুদ্ধে যে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।’সংবাদ সম্মেলনে মমিনুল ইসলামের ভাই বাবুল, চাচা কবির উদ্দিনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।এসএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
