আফগানিস্তানের বিপক্ষে সবশেষ ওয়ানডে সিরিজের ৩ ম্যাচের কোনো ম্যাচে পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। এনিয়ে বেশ আক্ষেপের সুরেই বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ বলেছিলেন, ‘পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারলে ফলাফল ভিন্ন হতো।’ আফগানিস্তান সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হারার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। আজ শনিবার (১৮ অক্টোবর) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। এ দিন টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে নামার পর থেকেই ভক্ত-সমর্থক থেকে শুরু করে সবার মুখেই একটি প্রশ্ন ছিল, অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের আশা পূরণ হবে তো? বাংলাদেশ পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারবে তো? তবে বাংলাদেশ শেষমেশ সেটা করা হয়নি। বাংলাদেশ ৫০ ওভার টিকতে পারেনি। অলআউট হলো ২ বল বাকি থাকতেই। অলআউট হওয়ার আগে দল তুলেছে ২০৭ রান।ইনিংসের গোড়াপত্তনে এদিন নামেন সৌম্য সরকার এবং সাইফ হাসান। কেউই বেশিক্ষণ টেকেননি। দলের ৮ রানের মধ্যেই সাজঘরে ফিরেছেন দুই ওপেনার। ৬ বলে ৩ রান করে বিদায় নেন সাইফ। সৌম্য খেলেন ৬ বলে ৪ রানের ইনিংস।এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও তৌহিদ হৃদয় মেরামতের কাজ শুরু করেন। ধীরগতিতে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান দুজন। ৬৩ বলে ৩২ রান করে শান্ত বিদায় নিলে চাপ বাড়ে। হৃদয় একপ্রান্তে লড়ে ফিফটি ছুঁয়ে ৯০ বলে ৫১ রানে ফেরেন।অভিষিক্ত মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ধৈর্য ধরে খেলছিলেন। ফিফটির খুব কাছে গিয়ে ৭৬ বলে ৪৬ রানে বোল্ড হন রোস্টন চেইজের বলে। মিরাজও (২৭ বলে ১৭) ফেরেন চেইজের শিকার হয়ে। শেষ দিকে রিশাদ হোসেনের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসে কিছুটা ভরসা জোগায় দলকে। ১৩ বলে ২৬ রান করেন তিনি, মারেন দুই ছক্কা ও এক চার। তানভীর ইসলামের ছক্কায় ইনিংস শেষে ২০০ পেরোয় বাংলাদেশ।৪৯.৩ ওভারে ২০৭ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। তানভীর অপরাজিত ছিলেন ৯ রানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জেডন সিলস নেন ৩ উইকেট। জাস্টিন গ্রেইভস ও রোস্টন চেইজ নেন ২টি করে, আর ১টি করে উইকেট রোমারিও শেফার্ড ও খায়েরে পিয়েরের।এই ম্যাচেও পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করতে না পারা বাংলাদেশকে মনে করিয়ে দিল আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা। ব্যাটিংয়ে ধস সামাল দেওয়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে মেহেদী মিরাজদের জন্য।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
