মাথাব্যথা একটি সাধারণ রোগ যা অনেকেই তাদের জীবনের কোন না কোন সময়ে অনুভব করেন। তা টেনশন মাথাব্যথা, মাইগ্রেন, অথবা সাইনাসের মাথাব্যথা যাই হোক না কেন, এর ফলে যে অস্বস্তি হয় তা আপনার দৈনন্দিন রুটিনকে ব্যাহত করতে পারে। মাথাব্যথার লক্ষণগুলি উপশম করার জন্য ওষুধ পাওয়া গেলেও, বেশ কিছু সহজ এবং প্রাকৃতিক প্রতিকার দ্রুত ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। চলনু জেনে নেওয়া যাক, হালকা মাথাব্যথা কমাতে নিচের কয়েকটি ঘরোয়া টিপস—ইয়োগাইয়োগা আপনার মাথাব্যথার সমাধান দিতে পারে। যদি মাথাব্যথা হয় চোখের চাপ, স্ট্রেস বা ঘুমের অভাবে, তাহলে ইয়োগা খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখে। আর মাথাব্যথা সাধারণত হয় টেনশন, ঘুমের অভাব, চোখের চাপ (স্ক্রিনে বেশি সময়), ডিহাইড্রেশন, মাংসপেশির টান, ঘাড় বা পিঠে চাপ এবং হরমোনের ভারসাম্যহীনতা থেকে। সে ক্ষেত্রে ইয়োগার প্রয়োজন। কারণ ইয়োগার ধ্যান ও শ্বাস-প্রশ্বাস মনকে শান্ত করে, কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) কমিয়ে দেয়। আর ইয়োগা মাথায় রক্তপ্রবাহ ঠিক রাখে, ফলে চাপ কমিয়ে দেয়। ইয়োগা হরমোন ব্যালেন্স করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে থাইরয়েড বা স্ট্রেস-রিলেটেড সমস্যা দূর করে।বিশ্রাম ও ঘুমঘুম কম হলে এবং পরিশ্রম বেশি হলে মাথাব্যথা শুরু হয়। মাথাব্যথা শুরু হলে সামান্য কিছু সময়ের জন্য চোখ বন্ধ করে নিরিবিলি অন্ধকার রুমে বিশ্রাম নিন। এতে আপনার মাথাব্যথা কমে যাবে। ফলে যখন-তখন কিছুক্ষণের জন্য চোখকে আরাম দিন। এ ছাড়া চোখ বন্ধ করার আগে খালি পেটে আপেল খেলে কিংবা সামান্য আপেলসাইডার ভিনেগার পানিতে মিশিয়ে খেলে এ ক্ষেত্রেও আরাম পাওয়া যায়।পানি পানসাধারণত পানিশূন্যতা মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। তাই সাধারণ মাথাব্যথা হলে প্রথমেই ১–২ গ্লাস পানি পান করুন। দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। দিনে ১০ গ্লাস পানি খেলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয় না এবং মাথাব্যথা দূর করা যেতে পারে।আদা চাআদা প্রদাহ কমিয়ে দেয় এবং রক্ত চলাচল বাড়িয়ে তোলে। আর মাথাব্যথা অনুভূত হলে এক চামচ কুচানো আদা এককাপ পানিতে ৫ মিনিট ফুটিয়ে চা তৈরি করে খান। কিংবা চা খাওয়া অভ্যাস না থাকলে কেবল আদাযুক্ত হালকা গরম পানিও খেতে পারেন। এতেই আপনার মাথাব্যথার উপশম হবে।লেবুপানি আপনার অতিরিক্ত গ্যাস কিংবা হজমের সমস্যা থেকেও মাথাব্যথা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে লেবুপানিও আপনার মাথাব্যথায় দূর করতে পারে। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা লেবুর রস ও এক চিমটি লবণ মিশিয়ে পান করুন। লেবুর রসের সঙ্গে সামান্য কাঁচামরিচ কুচি আর সামান্য গরম পানি দিয়ে ওষুধের মতো খেয়ে নিতে পারেন। পুদিনা তেল কপালে ও কানের পাশে হালকা মালিশ করলেও আরাম পেতে পারেন।ইখা
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
