কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচন গ্রহণযোগ্য পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় চাকসু নির্বাচনের পর ছাত্রদল প্যানেলের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।ছাত্রদল সম্পাদক নাছির বলেন, ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত চাকসু নির্বাচনে নানা ত্রুটি ও বিচ্যুতি ছিল। ভোটের দিন অমোচনীয় কালি ব্যবহারের ব্যবস্থা ছিল না, যা প্রশাসনের নজরে রাখা উচিত ছিল। একাধিক কেন্দ্রে ভোট প্রদান ও গণনার সময় এলইডি স্ক্রিন বন্ধ ছিল। এ ছাড়া একটি নির্দিষ্ট দলের এজেন্টদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনের পরিবেশ মোটামুটি গ্রহণযোগ্য ছিল।তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যাশিত ফল না এলেও ছাত্রদল নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের সার্বিক সহযোগিতা করবে। আগামীতেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদল থাকবে, যেমনটি অতীতেও ছিল। আমরা যে আট দফা ইশতেহার দিয়েছি, সেগুলো বাস্তবায়নে সর্বদা সচেষ্ট থাকবো।এর আগে, গতকাল বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি অনুষদের ১৫টি ভোটকেন্দ্রে চাকসু, হল ও হোস্টেল সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। চাকসুর ২৬টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৪১৫ জন প্রার্থী এবং হল ও হোস্টেল সংসদের ২৪টি পদের জন্য লড়েছেন ৪৯৩ জন। এই নির্বাচনে ৬৫ শতাংশ ভোটাধিকার প্রয়োগ করা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৫টায় চাকসু, হল ও হোস্টেল সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন।ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ভিপি পদে শিবিরের ইব্রাহিম রনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৯৮৩ ভোট, জিএস পদে সাঈদ বিন হাবিব পেয়েছেন ৮ হাজার ৩১ ভোট। অন্যদিকে, এজিএস পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের আইয়ুবুর রহমান তৌফিক ৭ হাজার ১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।এমআর-২
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
