শেষ পর্যন্ত জয়ের পথেই ফিরল বাংলাদেশ দল। এশিয়া কাপে গুরুত্বপূর্ণ এক ম্যাচে আফগানিস্তানকে হারিয়ে সুপার ফোরের সম্ভাবনা এখনো ধরে রেখেছে টাইগাররা। এখন চোখ শ্রীলঙ্কা বনাম আফগানিস্তান ম্যাচের দিকে। সে ম্যাচে আফগানরা হেরে গেলে সোজা পরের রাউন্ডে চলে যাবে বাংলাদেশ। আর জিতলেও নেট রান রেটের হিসেব এখনও রাখছে কিছুটা সম্ভাবনা।ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক লিটন দাস। চার পরিবর্তন নিয়ে এদিন মাঠে নামে বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করতে নেমে সাইফ হাসানকে সাথে নিয়ে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন তানজিদ তামিম। সমালোচনা ধুয়েমুছে সাফ করে খেলছিলেন মারকুটে মেজাজে। তবে সাইফ ছিলেন নড়বড়ে। চার-ছক্কা সব হাঁকিয়েও ২৮ বলে মাত্র ৩০ রান করে ফেরেন সাজঘরে। সেই ক্ষতি পোষাতে নেমে অধিনায়ক লিটন দাসও সুবিধা করতে পারেননি, ১১ বলে করেন ৯ রান। চার নম্বরে নেমে চেষ্টা করেন তাওহীদ হৃদয়, যাকে একাদশে রাখা নিয়ে অনেকেই ছিলেন অসন্তুষ্ট। ২৮ বলে অর্ধশতকের পর ৩১ বলে ৫২ রান করা তামিম চারটি চার ও তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে বিদায় নিলে সাহসী সিদ্ধান্ত নেয় টিম ম্যানেজমেন্ট, ক্রিজে পাঠানো হয় শামীম হোসেন পাটোয়ারিকে।কিন্তু শামীম রশিদ খানের শিকার হয়ে থামেন ১১ বলে ১১ রান করে, অনেকটা গর্জে ওঠার আগেই উইকেটের পতন। একসময় মনে হচ্ছিল বাংলাদেশ বড় সংগ্রহের দিকে যাচ্ছে, কারণ প্রথম ১০ ওভারে স্কোর ছিল ৮৭/১। কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে রানে ভাটা পড়ে। ১৮ ওভার শেষে স্কোর দাঁড়ায় ১৩৯/৫। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৫৪ রান, ৫ উইকেট হারিয়ে।জবাব দিতে নেমে শুরুতেই নাসুম আহমেদের তোপের মুখে পড়ে আফগানিস্তান। প্রথম ওভারেই উইকেট মেডেন আদায় করে নেন সিলেটি স্পিনার। ইবরাহিম জাদরান সুবিধা করতে পারেননি। ১২ বলে ৫ রান করে তিনিও সাজঘরে ফেরেন পাওয়ারপ্লেতেই। রহমানউল্লাহ গুরবাজ চাপের মুখে ৩১ বলে ৩৫ রান করে বিদায় নিলে গুলবাদিন নাইব ও মোহাম্মদ নবী পরিস্থিতি মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। আফগানরা ম্যাচে ফেরে ১৬ বলে ওমরজাইয়ের গড়া ৩০ রানের ইনিংসে। সাইফ হাসান রান খরুচে হলেও দারুণ ক্যাচে তাকে সাজঘরের পথ দেখান। তবে ভয়ের কারণ হয়ে ওঠেন অধিনায়ক রশিদ খান। তবে ১১ বলে ২০ রান করে তিনি টাইগারদের শিকার হলে ম্যাচ থেকেই ছিটকে পড়ে আফগানিস্তান। শেষপর্যন্ত ৮ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
