টানা তিন সিরিজ জয়ের পর দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়েই এশিয়া কাপে খেলতে গিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। শুরুটাও হয়েছিল উড়ন্ত। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচে হংকংকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সূচনা করে লিটন দাসের দল। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই দেখতে হয়েছে মুদ্রার উল্টো পিঠটা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬ উইকেটে হেরে বড় ধাক্কা খায় টাইগাররা।গতকাল (১৩ সেপ্টেম্বর) শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একেবারেই ছন্নছাড়া পারফর্ম করেছে বাংলাদেশ। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং সব বিভাগেই যাচ্ছেতাই অবস্থা। এদিন টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৫৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনারতো রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরের পথ ধরেছিলেন। তবে শেষদিকে ধৈর্য্য আর বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছিলেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী ও জাকের আলী অনিক। এই দু’জনের বড় জুটিতেই শেষ পর্যন্ত ১৩৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। তবে সেই লক্ষ্য লঙ্কানরা অতিক্রম করে হেসে-খেলেই। এই পরাজয়ের পর দুই ম্যাচে এক জয় নিয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে গ্রুপের তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কারও পয়েন্ট সংখ্যা সমান (২), তবে নেট রানরেটের ভিত্তিতে তারা এগিয়ে আছে।বাংলাদেশের পরের ম্যাচ ১৬ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের বিপক্ষে। সুপার ফোরে খেলতে হলে সেই ম্যাচে জয় পাওয়া বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে আশা করতে হবে, শ্রীলঙ্কাও যাতে আফগানিস্তানকে হারাতে পারে। এই দুই শর্ত পূরণ হলে, বাংলাদেশ পাবে ৪ পয়েন্ট এবং সুপার ফোরে জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।বাংলাদেশ যদি আফগানিস্তানের বিপক্ষে এ ম্যাচে হেরে যায় তাহলে সুপার ফোরে যাওয়ার স্বপ্ন প্রায় শেষ হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে অবশ্য ক্ষীণ সম্ভাবনা থাকবে লিটন দাসের দলের জন্য। যদি হংকং কোনো অঘটন ঘটিয়ে শ্রীলঙ্কাকে হারায় এবং আফগানিস্তানও লঙ্কানদের হারায়। সেই পরিস্থিতিতে পয়েন্ট সমান হলেও, নেট রানরেটই নির্ধারণ করবে কোন দুই দল পরবর্তী রাউন্ডে যাবে।সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পরবর্তী ধাপ নির্ভর করছে নিজেদের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি অন্যান্য ম্যাচের ফলাফলের ওপরও। এখন দেখার বিষয়, টাইগাররা কি পারবে এই কঠিন সমীকরণে নিজেদের জায়গা করে নিতে।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
