আগামী বছরের মার্চের মধ্যে ৩টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। স্যাটেলাইট তিনটি হলো-কাওসার, জাফর ও পায়া। ইরানের মহাকাশ সংস্থা (আইএসএ)-এর প্রধান হোসেইন সালারিয়েহ দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, ‘কাওসার’, ‘জাফর’ এবং ‘পায়া’—নামের ৩টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা ইরানি বছরের শেষ (২০ মার্চ ২০২৬) নাগাদ সম্পন্ন হতে পারে।সম্প্রতি একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরানজুড়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। ওই ঘটনাটি ইরানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার অবজারভেটরিতে সরাসরি দেখার আয়োজন করা হয় এবং এতে বিজ্ঞানী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। আর এরইমধ্যে এমন ঘোষণা দিলেন ইরানের মহাকাশ সংস্থার প্রধান। ড. সালারিয়েহ জানান, ‘এই ধরনের আয়োজন আমাদের মহাকাশ অভিযানের প্রতি প্রতিশ্রুতি ও জনগণের অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।’তিনি বলেন, ‘কাওসার’, ‘জাফর’ ও ‘পায়া’ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ইরানের স্যাটেলাইট প্রযুক্তির সক্ষমতা আরও জোরদার হবে।সালারিয়েহ জানান, তিনটি স্যাটেলাইটই শরৎকালে উৎক্ষেপণের লক্ষ্যে রয়েছে, তবে ‘কারিগরি পরীক্ষার জন্য কিছুটা বিলম্ব হতে পারে’।তিনি বলেন, ‘নির্ভুলতা আমাদের অগ্রাধিকার। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে স্যাটেলাইটগুলো সর্বোচ্চ মানদণ্ড পূরণ করে।’সালারিয়েহ বলেন, এর বাইরে ‘নাহিদ-২’ নামে একটি ন্যারো-ব্যান্ড যোগাযোগ স্যাটেলাইট তৈরি করা হচ্ছে, যা ইন্টারনেট সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় সংযোগ সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে।এছাড়া তিনি ঘোষণা দেন, শিগগিরই ‘শহীদ সোলেইমানি উপগ্রহব্যবস্থা’ উন্মোচন করা হবে। এটি একটি স্যাটেলাইট নক্ষত্রপুঞ্জ, যা নির্ভরযোগ্য এবং টেকসই মহাকাশ যোগাযোগ ব্যবস্থার পথপ্রদর্শক হবে।তিনি আরও বলেন, ‘এটি মহাকাশ প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতার দিকে আমাদের বড় পদক্ষেপ। বর্তমানে এর পরীক্ষামূলক মডেল প্রায় প্রস্তুত।’এমআর-২
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
