নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পূর্বশত্রুতার জেরে ইভান (৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। রোববার (০৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে ফতুল্লার অক্টো অফিস এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত হিসেবে ইভানের প্রতিপক্ষ সাইফুল গ্রুপের নাম উঠে এসেছে। ইসদাইর এলাকার এম.এ আজম বাবুর ছেলে ইভান হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি ও কিশোর গ্যাং প্রধান হিসেবে পরিচিত।নিহতের বড় ভাই রাফিন জানান, তিনি সংবাদ পেয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসেছেন। এসে জানতে পারেন ইভান মারা গেছে।তিনি আরও জানান, রাত নয়টার দিকে ইসদাইর অক্টো অফিসস্থ চেঙ্গিস মিয়ার বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে নাছিম নামের এলাকার এক ছোট ভাইকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে নিজ এলাকায় ফিরছিলো ইভান। তাদের গতিরোধ করে ইভানকে নামিয়ে শফিকুল ও তার দুই ভাই পাগলা সাইফুল ও বাবুসহ ৮-১০ জন সন্ত্রাসী কোপায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে সাথে থাকা নাছিমকেও কোপায়। একপর্যায়ে ইভানের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, সাথে থাকা মোবাইল ফোন নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে হামলাকারীরা। পরে শরিফ নামের এক যুবক ইভানকে প্রথমে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।নিহত ইভানের বাবার বরাত দিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক শহিদুল জানান, সাইফুল, বাবু ও তাদের অপর এক ভাইসহ বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী রাত নয়টার দিকে ইভানকে কোপায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করে। সেখানে ইভান মারা যায়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইভানের বিরুদ্ধে হত্যা, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব প্রদানসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ফতুল্লা থানাসহ বিভিন্ন থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শরীফুল ইসলাম বলেন, নিহতের লাশ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে আছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তর করা হবে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
