সৌদি আরবে মারামারির জের ধরে হবিগঞ্জের মাধবপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে ওসিসহ শতাধিক আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে অন্তত ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের মাধবপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে উপজেলার বুল্লা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সৌদি আরবে বুল্লা গ্রামের ধলাই মিয়ার ছেলের সঙ্গে একই গ্রামের সৌদি বসবাসরত ভিসা জটিলতা নিয়ে মারামারি হয়। এ ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বুল্লা ইউনিয়নের ধলাই মিয়া ও হেলাল মেম্বারের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ নিয়ে উভয়পক্ষই থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেন। দীর্ঘদিন যাবৎ ধলাই মিয়া ও হেলাল মিয়ার মধ্যে গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।এ ঘটনার জের ধরে বুধবার বিকেলে উভয় পক্ষের শতশত লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে কমপক্ষে উভয়পক্ষের শতাধিক লোক আহত হয়। খবর পেয়ে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শহীদ উল্লাহ নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ওসি শহীদ উল্লাহ পায়ে আঘাত লেগে আহত হন।অপর আহতদের মধ্যে রাসেল মিয়া (১৮), রাশেদ মিয়া (১৮), বাবুল মিয়া (৬০), মন্নান মিয়া (২৭), ইছব মিয়া (৩৫), জালাল উদ্দিন (৩৫), শাহ আলম (৪০), ইউনুছ মিয়া (৬০), লিটন মিয়া (৩৫), রহমত উল্লাহ (২৪), জালাল মিয়া (২৬), সুন্দর আলী (৪২), নয়ন মিয়া (১৬), আদম খা (৩০), ফারুক মিয়া (৫০), শরীফ উদ্দিন (৫০), ছোয়াব মিয়া (৪০), ছায়েদুল (৪০), চুন্নু মিয়া (৫৫), জলফু মিয়া (৬১), শাকিল মিয়া (২০), শাহাব উদ্দিন (৫১), নুরুল হক (৫০), সাগর (১৬), পাবেল (২৪), দুলাল মিয়া (৪৫), রাশেদ মিয়া (১৫), মনটু মিয়া (৫০), মিরাজ মিয়া (২২), সোহরাব (৩৫) কে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।মূলত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মাধবপুর থানার ওসি শহীদ উল্লাহ জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
