হাইকোর্টের নির্দেশে অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পার্বত্য বান্দরবানের লামায় ২টি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন।বুধবার (১৩ আগস্ট) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার বিভিন্ন স্থানে বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি’র নির্দেশনায় অভিযান চালিয়ে এ ইটভাটা গুলো গুড়িয়ে দেওয়া হয়।এতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঈন উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী এবং পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. রেজাউল করিম।জানা গেছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসনের লাইসেন্স না থাকায় হাইকোর্ট উপজেলার ৬টি অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। নির্দেশনা মতে অভিযানের প্রথম দিনে গুড়িয়ে দেওয়া হয় এলাহি ব্রিকস ও সেভেন ব্রিকস ম্যানু। এ কাজে সহযোগিতা করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা। একই সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয় ইটভাটা গুলোর সব কার্যক্রম।এর আগে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতিসাধনকারী অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) ও ইটভাটা প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক তার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য প্রশাসন বরাবরে অনুরোধ করেন পরিবেশ অধিদপ্তর।অভিযান চালিয়ে দুই ইটভাটা গুড়িয়ে দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. রেজাউল করিম বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসনের লাইসেন্স না থাকায় হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযানের প্রথম দিনে দুইটি অবৈধ ইটভাটা গুড়িয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।পর্যায়ক্রমে অন্য চারটি অবৈধ ইটভাটাও গুড়িয়ে দিয়ে উচ্ছেদ করা হবে। যেসব ইটভাটা গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, সেসব ভাটার মালিকরা যদি আবারও অবৈধভাবে ভাটার কার্যক্রম শুরু করেন, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. রেজাউল করিম। এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
