নোয়াখালীর হাতিয়ায় ১৭ জন যাত্রী নিয়ে নলচিরা ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ‘সমুদ্র বিলাস’ নামের একটি স্পিড বোটের তেল শেষ হয়ে গেলে আধাঘণ্টা ধরে মেঘনায় মাঝ নদীতে ভাসতে থাকে বোটটি। এ সময় ঢেউয়ের তোড়ে কয়েক ধাপে বোটটি ডুবে যাওয়ার উপক্রম হলে যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার শুরু করে। পরে খবর পেয়ে চেয়ারম্যান ঘাট থেকে অন্য একটি বোট গিয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় চালকের অসচেতনতার জন্য তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।বুধবার (১৩ আগস্ট) দুপুরের দিকে মেঘনা নদীর মাঝে বোটটির ইঞ্জিন বিকল হওয়ার খবর ছড়ায়। পরে চালকের পরীক্ষা-নিরীক্ষার শেষে স্পিডবোটের তেল ফুরিয়ে যাবার ঘটনা জানা যায়।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আজিম নামের এক ব্যক্তির মালিকানাধীন পুরাতন ‘সমুদ্র বিলাস’ স্পিডবোটটি চালক, হেলপার ও দুই শিশুসহ মোট ১৭ জন যাত্রী নিয়ে নোয়াখালীর হাতিয়া নলচিরা ঘাট থেকে ছেড়ে যায়। মাঝ পথে তেল ফুরিয়ে গিয়ে আধাঘণ্টা পর্যন্ত যাত্রীদের নিয়ে ভাসতে থাকে বোটটি। এ সময় ঢেউয়ের তোড়ে কয়েক ধাপে বোটটি ডুবে যাওয়ার উপক্রম হয়। এতে করে যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার করলেও কারো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। কারণ বোটটি তখন মাঝ নদীতে ঢেউয়ে টলমল করছিল। যাত্রীদের কেউ কেউ ঘটনার চিত্র মোবাইলে ধারণের চেষ্টা করলে চালক সাদ্দাম হোসেন ও তার হেলপার যাত্রীদের উপর চড়াও হয়। পরবর্তীতে খবর পেয়ে চেয়ারম্যান ঘাট থেকে অন্য একটি বোট গিয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করে নিরাপদে উপকূলে নিয়ে যান।স্পিডবোটের যাত্রীরা জানান, পুরাতন এ স্পিডবোটে ধারণ ক্ষমতার বাইরে গিয়ে গাদাগাদি করে দুইজন শিশুসহ ১৫ জন যাত্রী তুলেছে তারা। সেই সাথে চালক ও হেলপারও রয়েছে।এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নলচিরা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আশীষ চন্দ্র সাহা জানান, খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিক বোটের চালককে ডেকে আনি। পরে বোটটির ধারণক্ষমতা ও সক্ষমতা যাচাই-বাছাই করে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন চালকের অসচেতনতার জন্য ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং তাকে সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা দেন।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
